বৃহস্পতিবার১৫ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
Home / অর্থনীতি / চিটাগাং চেম্বার, জেটরো এবং জেবিসিসিআই’র মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর 

চিটাগাং চেম্বার, জেটরো এবং জেবিসিসিআই’র মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর 

 চট্টগ্রাম প্রতিনিধি  : দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি (সিসিসিআই), ঢাকাস্থ জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশন (জেটরো) এবং জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি (জেবিসিসিআই)-কে সাথে নিয়ে “সেলিব্রেটিং ফিফটি ইয়ারস অব জাপান-বাংলাদেশ ইকনোমিক ফ্রেন্ডশীপঃ প্ল্যানিং ফর নেক্সট টেন ইয়ারস (২০২১-২০৩০) অব প্রাইভেট সেক্টর কোঅপারেশন” শীর্ষক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান ২২ নভেম্বর দুপুরে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয়।
চিটাগাং চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম এবং জেটরো’র ঢাকাস্থ কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টিটিভ ও জেবিসিসিআই সভাপতি ইউজি অ্যান্ডো (yuji ando) এই সমঝোতায় স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি এমপি, বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি , জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শাহাবুদ্দিন আহমেদ, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী এমপি, প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, বাংলাদেশে জাইকা’র চীফ রিপ্রেজেন্টিটিভ হায়াকাওয়া ইউহো, এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম এবং জেবিসিসিআই সহ-সভাপতি শরিফুল আলম অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বক্তব্য প্রদান করেন।
বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি এমপি বলেন-উভয় দেশের মধ্যে আগামী দিনের দ্বিপাক্ষিক অধিকতর অর্থনৈতিক সম্পর্কোন্নয়নে এই সমঝোতা স্মারক সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতে একটি সময়োপযোগী ও কার্যকর পদক্ষেপ হিসেবে কাজ করবে। প্রাইভেট সেক্টর দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। বেসরকারি খাতে সহযোগিতার লক্ষ্যে ১০ বছরের একটি সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন অত্যাবশ্যক। তিনি বলেন-আগামী ২০২১- ২০২২ সালে বে অব বেঙ্গল গ্রোথ সামিট আয়োজন বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণের মাধ্যমে চট্টগ্রাম তথা বাংলাদেশকে ভবিষ্যৎ এশিয়ার প্রধান বিনিয়োগ কেন্দ্রের পরিণত করবে।
বাণিজ্য মন্ত্রী এই উদ্যোগকে স্বাগতঃ জানিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি বলেন-দু’দেশের বন্ধুত্বের সুবর্ণ জয়ন্তীর প্রাক্কালে ঐতিহাসিক এই সমঝোতা স্মারক সম্পর্কোন্নয়নে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর দু’দেশের বন্ধুত্বের নিদর্শন বা ফ্ল্যাগশীপ প্রজেক্ট। বাংলাদেশের মানুষ এখন জাপানের কাছ থেকে পণ্যের কোয়ালিটি সম্পর্কে জানতে অনেক বেশী আগ্রহী যা ইতিবাচক। বিগ- বি ইনিশিয়েটিভ এর আওতায় ঢাকা থেকে বৃহত্তর চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত অনেকগুলো মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের সাথে জাপান সরাসরি জড়িত। তিনি এই সমঝোতা সমর্থনে জাপান সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করে আগামীতে জাপানে বাংলাদেশী পণ্যের এবং ব্যবসার রোড-শো আয়োজনের প্রস্তাব করেন।
শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী এমপি বলেন-জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাপানকে বাংলাদেশের জন্য রোল মডেল হিসেবে চিহ্নিত করেন এবং যমুনা ব্রীজ নির্মাণের পরিকল্পনা করেন। জাপান থেকে বাংলাদেশের বেসরকারি খাত রেগুলেটরী প্রসেস, প্রতিযোগী সক্ষমতা ও উন্মুক্ত অংশগ্রহণ ইত্যাদি বিষয় শিখতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন-কার্যকর সহযোগিতার ক্ষেত্রে চিটাগাং চেম্বার নতুন দিনের সূচনা করবে। তিনি চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হতে জাপান কর্তৃক দক্ষ জনশক্তি আমদানির উদাহরণ তুলে ধরেন এবং প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের উপর গুরুত্বারোপ করেন।