বৃহস্পতিবার১৫ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
Home / সংগঠনের সংবাদ / সরকার গণতন্ত্র ও নির্বাচন ব্যবস্থাকে লাইফ সাপোর্টে নিয়ে গেছে : এইচ এম রাশেদ খান 

সরকার গণতন্ত্র ও নির্বাচন ব্যবস্থাকে লাইফ সাপোর্টে নিয়ে গেছে : এইচ এম রাশেদ খান 

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি  : চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ এম রাশেদ খান আরো বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে এবং দেশনায়ক তারেক রহমান’র নেতৃত্বে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে। 
আজকে স্বাধীনতার ৫০ বছর পরে সরকার মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নিয়ে নতুন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধার দল বিএনপিকে বাদ দিয়ে সরকার স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন করছে। স্বাধীনতা দিবসে শ্রদ্ধা নিবেদনে আমাদের পুলিশ দিয়ে বাধা প্রদান করা হচ্ছে। মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম)’র স্মৃতি বিজড়িত বিপ্লব উদ্যানে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন কালে পুলিশ ন্যাক্কারজনকভাবে বাধা প্রদান করে। আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর মুহূর্তে এই সকল ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
রাশেদ খান বলেন, স্বাধীন দেশের একটি ভৌগোলিক মানচিত্র পেয়েছি ঠিকই, কিন্তু জনগণ আজও পরাধীন। গণতন্ত্র আজ নির্বাসিত। মানবাধিকার ভূলুণ্ঠিত। মানুষের বাকস্বাধীনতা নেই। মৌলিক অধিকার নেই। জীবনের নিরাপত্তা নেই। জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে নিয়েছে। কথা বলেই মামলা হয়। আন্দোলন করলেই মামলা হয়। আইনের শাসন নেই। মানুষের মধ্যে কোনো স্বাধীনতা নেই। অর্থনীতি ভঙ্গুর, ব্যাংক লুটেপুটে খেয়ে ফেলা হয়েছে। সর্বস্তরে দুর্নীতির দুষ্টচক্র রাষ্ট্রযন্ত্রের প্রতিটি খাতকে করেছে প্রকৃতই পঙ্গু। তাই স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর এই দিনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ফ্যাসিস্ট, লুটতরাজ সরকারের হাত থেকে দেশ ও জনগণকে মুক্ত করার দীপ্ত শপথ নিতে হবে।
শুক্রবার (২৬ মার্চ) স্বাধীনতা দিবসে  চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষ থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান’র স্মৃতি বিজড়িত ষোলশহর ২নং গেইট জাতীয় বিপ্লব উদ্যানে পুষ্পস্তবক অর্পণ এর মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদনকালে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
এসময় চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর মুহূর্তে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) এর অবদানকে অস্বীকার করা হচ্ছে। তার খেতাব বাতিলের ধৃষ্টতা দেখানো হচ্ছে। কারণ তারা জিয়াউর রহমান, জিয়া পরিবার এবং বিএনপির জনপ্রিয়তাকে ভয় পায়। সরকারের জনপ্রিয়তা এখন শূন্যের কোঠায়। তাই তারা পুলিশ এবং রাষ্ট্র যন্ত্রের উপর নির্ভরশীল হয়ে বিরোধীদলকে দমন নিপীড়নের মাধ্যমে আজীবন ক্ষমতায় থাকতে চাই। দেশনায়ক তারেক রহমান এর নেতৃত্বে আমরা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় রাজপথে সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছি। জনগণকে সাথে নিয়ে ফ্যাসিস্ট সরকারের সকল ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে তাদের দিবাস্বপ্ন ধূলিসাৎ করে দিব।
সমাবেশে  উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি আসাদুজ্জামান দিদার, এ্যাড. সাইদুল ইসলাম , মামুনুর রহমান , সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া ,সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আলী মুর্তজা খান, যুগ্ম সম্পাদক জমির উদ্দিন নাহিদ, গিয়াস উদ্দিন সেলিম , সিরাজুল ইসলাম ভূঁইয়া , জসিম উদ্দিন রকি, এম.আবু বক্কর রাজু , সহ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই,  সাজ্জাদ হোসেন, এমএ হানিফ, জাকির হোসেন, মোখলেছুর রহমান , মোঃ হাসান , মফিজ উদ্দিন সুমন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক খান, মোঃ লিটন , ইকবাল হোসেন রুবেল, রবিউল ইসলাম, শাজাহান বাদশা সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য আকবর হোসেন মানিক, সহ-সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য  মোঃ জাহিদুল ইসলাম, জাকির হোসেন মিশু  সহ প্রমুখ।
স,ব/ আর,এস