
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও মসজিদটি আগুনের পথে না থাকার কারণে তা নিরাপদ থাকে। আগুনের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে আশেপাশের ঘরবাড়ি প্রায় পুরোপুরি পুড়ে গেছে, কিন্তু মসজিদ এবং কুরআনের কপি অক্ষত থাকে। স্থানীয় কমিউনিটি ও ইসলামিক সংস্থা দ্রুত পরিস্থিতি মোকাবিলায় এগিয়ে আসে এবং আগুনের ক্ষতির সময় মসজিদ ও ধর্মীয় সামগ্রী নিরাপদ স্থানে সরানোর ব্যবস্থা করে।
এ ঘটনায় এলাকার মানুষ ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের মধ্যে আল্লাহর রহমত ও অদ্ভুত রক্ষা হিসেবে এই ঘটনাকে দেখছেন। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য পুনর্বাসন এবং জরুরি সহায়তার দাবি উঠেছে।