
আনোয়ার হোসেন, কুড়িগ্রাম:
সবুজ করি কুড়িগ্রাম, এই প্রতিপাদ্যে কুড়িগ্রামে জেলা পুলিশের উদ্যোগে শতাধিক কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের মাঝে উন্নত জাতের কমলা ও মাল্টা গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।
সোমবার সকালে জেলা পুলিশের আয়োজনে কুড়িগ্রাম শিশু নিকেতন স্কুল প্রাঙ্গনে এসব কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের মাঝে একটি করে কমলা ও মাল্টা গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার (এসপি) আল আসাদ মোঃ মাহফুজুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুদুর রহমান, কুড়িগ্রাম শিশু নিকেতন স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা প্রতিমা চৌধুরী সহ স্কুলের সহকারী শিক্ষকবৃন্দ, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।
জেলা পুলিশ জানায়, জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় গত বছর থেকে জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সড়কের দু-পাশে ফলজ ও বনজ বৃক্ষের চারা লাগানো হয়। এরই ধারাবাহিকতায় শহর ও শহরতলীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ কর্মসুচি পালন করা হচ্ছে। এবং আমরা আশা করি 'সবুজ করি কুড়িগ্রাম' কর্মসূচির মাধ্যমে সকলের সম্মিলিত সহযোগিতায় আমরা কুড়িগ্রাম জেলাকে জলবায়ু সহিষ্ণু আপরাধহীন সমাজে রুপান্তর করতে সক্ষম হবো।
শিশু নিকেতন স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী সামিরা জান্নাত বলে, আমি অনেক সুন্দর একটা মাল্টা গাছের চারা পেয়েছি। বাসায় গিয়ে গাছটা লাগিয়ে কনেক যত্ন করে বড় করবো।
শিশু নিকেতন স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা প্রতিমা চৌধুরী বলেন, আমার স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে জেলা পুলিশ কমলা ও মাল্টা গাছের চারা বিতরণ করেছে। এসব গাছের চারা পেয়ে দারুণ আনন্দিত আমরা। আজ যে জলবায়ুর বিরূপ প্রভাবের কারণে পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে। তাই আমরা যদি বেশি বেশি করে গাছ লাগাই তাহলে পরিবেশের ভারসাম্য ফিরিয়ে আসবে বলে আমি মনে করি।
পুলিশ সুপার (এসপি) আল আসাদ মোঃ মাহফুজুল ইসলাম বলেন, আমরা ইতিমধ্যে সবুজ করি কুড়িগ্রাম কর্মসূচির মাধ্যমে গত ২০২৩ সালে থানায় আগত সম্মানিত সেবাগ্রহীতা, জেলখানা থেকে জামিনে মুক্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তি, বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ন প্রকল্পে বসবাসরত সম্মানিত নাগরিক, সংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের মাঝে প্রায় ৪০ হাজার চারাগাছ বিতরণ করছি এবং বিভিন্ন থানা এলাকায় রাস্তার পাশে চারাগাছ রোপণ ও তার পরবর্তী রক্ষণাবেক্ষণ, পরিচর্যা অব্যহত রেখেছি। সেই ধারাবাহিকতায় আমাদের আজকে শিশু নিকেতন স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে চারাগাছ বিতরণ করেছি এবং ভবিষ্যতে আমাদের এই কর্মসূচি চলমান থাকবে।