
যশোর জেলার মনিরামপুর থানার অন্যতম মাধ্যমিক বিদ্যাপীঠ শহীদ স্বরণী ঝাঁপা মাধ্যমিক বিদ্যালয়। ১৯৬৫ সাল থেকে পাঠদান করে আসছে বিদ্যালয়টি। প্রায় ২০ হাজার শিক্ষার্থী এখন থেকে মাধ্যমিক শিক্ষা অর্জন করে দেশ বিদেশের বিভিন্ন জায়গায় কর্মরত আছেন। অনেকেই উচ্চ শিক্ষা লাভ করছেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে।
২০০৯ সাল পরবর্তী সময়ে স্কুলে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হলে ধাপে ধাপে শুরু হয় নিয়োগ বানিজ্যের খেলা। ২০১৬ সালে স্কুল সভাপতির মিজানুর রহমানের সুপারিশ কর্তৃক নিয়োগ পাই দুইজন শিক্ষক- শিক্ষিকা , যেখানে বড় অঙ্কের টাকার বিনিময়ে নিয়োগ প্রদান করা হয় , আসমা খাতুন(৩০) ও মো. ফারুক আহমেদ(৩২) এবং এর আগে মোঃ সাইদুজ্জামান লিটন(৩৯) ২০০৩ সালে কৃষি ডিপ্লোমা শেষ করলেও নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে নিয়োগ পাই ২০০২ সালে। অনেকেই টাকা দিয়েও নিয়োগ না পাওয়ার অভিযোগ এনেছেন অত্র বিদ্যালয়ের মৌলবী শিক্ষক মতিউরের বিরুদ্ধে।
গতকাল (০৯ সেপ্টেম্বর) সোমবার রাতে একটি অডিও রেকর্ড ফাঁস হয় যেখানে ঝাঁপা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মৌলবী শিক্ষক মতিয়ার রহমান ৪র্থ শ্রেনী, পিওন পদে নিয়োগ দেওয়ার কথা বলে টাকা নিয়েছে এমন বক্তব্য প্রকাশ পায়।
আজ ১০ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) শহীদ স্বরণী ঝাঁপা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মানববন্ধনে সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা বলেন, বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক নির্মল কুমার দত্ত, সভাপতি মিজানুর,মৌলবী শিক্ষক মতিয়ার রহমান ও শিক্ষক সাইদুজ্জামান লিটন সহ বেশ কয়েকজন শিক্ষক বিদ্যালয়ের নিয়োগ বাণিজ্য সহ সকল প্রকার দূর্নীতি ও অনিয়মের সাথে জর্জরিত।
শিক্ষার্থীরা বলেন অবিলম্বে নিয়োগ বাণিজ্যের সাথে জড়িত শিক্ষক ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।