সাধীন আলম হোসেন
নাটোর প্রতিনিধি
নাটোরের লালপুরে ঈদের নামাজের পর ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার পর বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের গুলিবর্ষণের ঘটনায় বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) বিকেলে রামকৃষ্ণপুর চিনিবটতলা ঈদগাহ মাঠে লালপুর উপজেলা বিএনপি ও গেপালপুর পৌর বিএনপির এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন—সরকার পতনের আগে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী বাহিনী প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়া চালিয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করেছে, কিন্তু এখনো তারা আইনের আওতায় আসেনি। শেখ হাসিনা দেশ থেকে পালিয়ে গেলেও তার দোসররা দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। ঈদের নামাজ শেষে আওয়ামী ক্যাডার বাহিনী বিএনপি কর্মীদের ওপর গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটিয়েছে। ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাই।
গোপালপুর পৌর বিএনপির সাবেক আহবায়ক নজরুল ইসলাম গোলামের সভাপতিতে গোপালপুর পৌর বিএনপির সিনিয়র সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আসলাম হোসেন সঞ্চালনায়। এসময় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন নাটোর জেলা বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক এডভোকেট ফারজানা শারমিন পুতুল। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হারুনার রশিদ পাপ্পু, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও বিলমাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিদ্দিক আলী মিষ্টু, হামিদুর রহমান বাবু, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, লালপুর সদর ইউনিয়ন বিএনপি সাবেক সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি।
৮নং দুড়দুড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান,
উপজেলা কৃষক দলের যুগ্ম গোলাম আজম,দুড়দুড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কাশেম কলম,সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান মিন্টু,জেলা সেচ্ছা সেবক দলের সদস্য মিলটন হোসেন,দুড়দুড়িয়া ইউনিয়ন সেচ্ছা সেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম পানা,৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাফাত হোসেন,ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সিরাজুল ইসলাম ও হাফিজুর রহমান প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুতুল বলেন, ৫ তারিখের পরে আমরা আওয়ামী লীগের বাড়িঘর পাহারা দিয়ে রেখেছি কাউকে হাত দিতে দিই নাই। অথচ তারা ঈদের দিনে আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করল। সেখানে আমাদের নেতাকর্মীরা গুলিবিদ্ধ হয়েছে তারা আজকে হাসপাতালে। আমরা এখনো তাদেরকে কিছু বলছি না তার মানে এই না যে আমরা চুপ করে বসে থাকবো। আমরা এখনো ধৈর্য ধরে রয়েছি। আওয়ামী সন্ত্রাসীরা কোনোদিন ভালো হবে না। আমরা প্রশাসনের ভাইদের বলতে চাই—এই যে অস্ত্র দিয়ে গুলি করা হয়েছে সেই অস্ত্রগুলো নিয়েই ৪ আগস্ট লালপুরের মাটিতে অস্ত্র মহড়া দিয়েছে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। আপনারা চাইলে তারা কেউ লালপুরের বাইরে যেতে পারবে না। আপনারা দ্রুত তাদের আইনের আওতায় আনুন।