বগুড়া-৭ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি প্রার্থী ও বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি গোলাম রব্বানী বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও বিশ্বাসযোগ্য করতে হলে সব রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে। নির্বাচন এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে প্রতিটি প্রার্থী ও নাগরিকের সমান অধিকার ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সোমবার (২৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন গাবতলীর সুখানপুকুর ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে স্থানীয় একটি মিলনায়তনে এক কর্মী সমাবেশ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
প্রধান অতিথি বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সুসংহত করতে হলে রাজনৈতিক সহনশীলতা, পারস্পরিক সম্মান এবং নির্বাচনকালীন ন্যায়সঙ্গত আচরণ অপরিহার্য। নির্বাচন যেন বিভাজন নয়—বরং ঐক্য, স্থিতিশীলতা ও সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতি গঠনে ভূমিকা রাখে।
কর্মীদের উদ্দেশে গোলাম রব্বানী বলেন, সংগঠনের কর্মীরা মাঠপর্যায়ে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, জনগণকে সঠিক তথ্য প্রদান এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ রক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। ভ্রান্ত তথ্য, গুজব ও উত্তেজনাকর কর্মকাণ্ড থেকে সবাইকে দূরে থাকতে হবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে নির্বাচনে জনগণের সচেতন অংশগ্রহণই একটি গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের অন্যতম শর্ত।
ইউনিয়ন সভাপতি রায়হান আলীর সভাপতিত্বে ও ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ইয়াছিন আলী সঞ্চালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুল মতিন, বগুড়া জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আব্দুল মজিদ, গাবতলী উপজেলা আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আলী, বগুড়া-৭ আসন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব মাওলানা শহিদুল ইসলাম, গাবতলী উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর অধ্যাপক মোর্শেদুর রহমান বাবুল, উপজেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক আব্দুল ওয়াদুদ, মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদ বগুড়া জেলা সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক, বগুড়া শহর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আনোয়ারুল হোসেন, বগুড়া শহর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহ-সাধারণ সম্পাদক এজাজ আহমেদ আসলাম এবং গাবতলী উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি রেজাউল করিমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা সুষ্ঠু নির্বাচন, শ্রমজীবী মানুষের অধিকার এবং নির্বাচনী পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।