
বগুড়ার নন্দীগ্রামে অনলাইন জুয়া পরিচালনা ও অবৈধ ডিজিটাল লেনদেনের অভিযোগে চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তাদের কাছ থেকে অনলাইন জুয়া ও বেটিংয়ের কাজে ব্যবহৃত ছয়টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
জব্দ করা ফোনগুলো পর্যালোচনা করে বিভিন্ন ডিজিটাল ওয়ালেট ও ক্রিপ্টোকারেন্সি অ্যাপের মাধ্যমে বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বুধবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বগুড়া জেলা পুলিশের মিডিয়া মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতোয়ার রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন নন্দীগ্রাম উপজেলার পণ্ডিতপুকুর এলাকার সোহেল রানা (২৮), বৃকঞ্চি এলাকার এমরান হোসেন (২৯) ও মাধবকুড়ি এলাকার রেজাউল করিম তানসেন (৩২)।
পুলিশ সূত্র জানায়, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে নন্দীগ্রাম উপজেলার পণ্ডিতপুকুর বাজারে মেসার্স দুই ভাই এন্টারপ্রাইজের গোডাউনের বারান্দায় অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে সোহেল রানা ও এমরান হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ভোর ৪টা ৫০ মিনিটে সহযোগী রেজাউল করিম তানসেনকে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতোয়ার রহমান বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে জব্দ করা ছয়টি মোবাইল ফোনের মধ্যে পাঁচটি স্মার্টফোন ও একটি বাটন ফোন। এসব ফোন পর্যালোচনা করে বিকাশ, নগদ ও বিন্যান্সসহ বিভিন্ন ডিজিটাল ওয়ালেট ও ক্রিপ্টোকারেন্সি অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইন জুয়ার আর্থিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। এ ছাড়া বিভিন্ন অ্যাপ ও ওয়েবসাইট ব্যবহারের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে জুয়া প্রতিরোধ আইনে নন্দীগ্রাম থানায় মামলা করা হয়েছে।