
রোববার (৩মে) সকাল ১১টায় ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর শারীরিক পরীক্ষার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং একই সঙ্গে জবানবন্দি রেকর্ড করার জন্য বগুড়া আদালতে পাঠানো হয়েছে।
অভিযুক্ত কলেজছাত্র উপজেলার গোসাইবাড়ি ইউনিয়নের গোসাইবাড়ি আমতলা এলাকার সাইফুল মন্ডলের ছেলে। সে বগুড়া শহরে একটি কলেজের একাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী।
মামলা সূত্রে জানা যায়, একই এলাকার ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নের ভুতবাড়ি গ্রামের পরিবহন শ্রমিকের স্কুল পড়ুয়া মেয়ের (১৭) সঙ্গে প্রায় এক বছর আগে নোমান মন্ডলের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। স্কুলছাত্রীর বাবা জীবিকার তাগিদে টাঙ্গাইল জেলা সদরে অবস্থান করে। আর ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী মায়ের সঙ্গে ভুতবাড়ি গ্রামে বসবাস করে। এ অবস্থায় ৪ ফেব্রুয়ারী দুপুরের দিকে স্কুলছাত্রীকে বাড়িতে একা রেখে তার মা পারিবারিক প্রয়োজনে টাঙ্গাইল শহরে স্বামীর কর্মস্থলে যান।
এ সুযোগে প্রেমিক নোমান মন্ডল ওই দিন রাত ১০টার দিকে ঘরে ঢুকে বিয়ের প্রলোভনে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করে এবং সেই দৃশ্য কৌশলে নিজের স্মার্টফোনে ধারণ করে। পরবর্তীতে ধর্ষণের ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ১২ মার্চ রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পাশের কাঠ গাছের বাগানে ফের ধর্ষণ করে। এসময় স্কুলছাত্রী বিয়ের কথা বলায় নোমান সেই প্রস্তাব প্রত্যাখান করে ঘটনাস্থল থেকে সটকে পড়ে।
ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ মামলার আসামি নোমান মন্ডলকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।