
রবিবার (১৮ জানুয়ারি) তার প্রার্থীতার বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন কাজী রফিকের আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।
ব্যারিস্টার কাজল বলেন, ওই আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী আরেকজন আহসানুল তৈয়ব জাকির। উনি কাজী রফিকের বিরুদ্ধে একটা আপিল দায়ের করেছিলেন। একই সঙ্গে উনি যে ব্যাংকের সঙ্গে ব্যবসায়িক লেনদেন করতেন, ওই ব্যাংকও একটা আপিল দায়ের করেছিল। নির্বাচন কমিশনের সামনে দলের নীতি-আদর্শ ও ঐক্যের স্বার্থে আজ কাজী রফিকের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ওই আপিলটি প্রত্যাহার করে নিয়েছেন জাকির। এই ঘোষণার পর জাকিরকে ধন্যবাদ জানান কাজী রফিক। এক্ষেত্রে বগুড়া-১ আসনে দলের একক প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত হলেন সাবেক এমপি কাজী রফিক।
কাজী রফিকের বিরুদ্ধে আরও একটি আপিল ছিল ব্যাংকের বিরুদ্ধে। সেটার শুনানি হয়েছে গতকাল। ব্যাংক বলেছে, ইতিমধ্যে কাজী রফিকের সঙ্গে ব্যাংকের দেনা-পাওনার বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে এবং তিনি প্রয়োজনীয় ও চাহিদা মতো অর্থ জমা দিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে ব্যাংকও আজ কাজী রফিকের আপিল প্রত্যাহারের আবেদন করেছে।
নির্বাচন কমিশনের আদেশের বিষয়টি স্পষ্ট করে ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, বগুড়া-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কাজী রফিকুল ইসলামের ধানের শীষের প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতে বাধা নেই।