প্রকাশের তারিখঃ অক্টোবর ৯, ২০২৫ | ৮:১৯ পূর্বাহ্ণ
বিএনপির আসন বণ্টন: শরিকদের ১২ জনকে ‘সবুজ সংকেত’
নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা না হলেও যুগপৎ আন্দোলনে থাকা শরিক দলগুলোর সঙ্গে আসন বণ্টন প্রক্রিয়া শুরু করেছে বিএনপি। ইতোমধ্যে মিত্র দলগুলোর ১২ জনকে মনোনয়ন দেওয়ার ব্যাপারে ‘সবুজ সংকেত’ দিয়েছে দলটি। দ্বিপক্ষীয় আলোচনার টেবিলে সমঝোতার মাধ্যমে আরও কয়েকটি আসন শরিকদের ছাড় দেওয়া হবে। এ ছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সঙ্গেও আসন সমঝোতা বা জোট গঠনের ব্যাপারে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা চলছে। তবে এই জোট হবে কি না, তার জন্য আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট দলগুলো।
নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো জানাচ্ছে, সরকারি ও বেসরকারি মোট সাতটি মাধ্যম থেকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এই তথ্যের ওপর ভিত্তি করে ইতোমধ্যে ১২ জনকে নির্বাচন করার ব্যাপারে সবুজ সংকেত দিয়েছেন তিনি। সূত্রের দাবি, পিরোজপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টির (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, লক্ষ্মীপুর-১ আসনে বাংলাদেশ এলডিপির চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম, কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা, বগুড়া-৪ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, ঢাকা-১৩ আসনে এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ, ঢাকা-১৭ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, চট্টগ্রাম-১৪ আসনে এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের ছেলে অধ্যাপক ওমর ফারুক, কুমিল্লা-৭ আসনে দলটির মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ, নড়াইল-২ আসনে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের সমন্বয়ক ও এনপিপির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, পটুয়াখালী-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, ঝিনাইদহ-২ আসনে দলটির সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান সবুজ সংকেত পেয়েছেন।
গণতন্ত্র মঞ্চের শরিকদের মধ্যে জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব শারীরিক অসুস্থতার জন্য এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চাইছেন না। তা ছাড়া ওই আসনে বিএনপির শক্তিশালী প্রার্থী এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজানকে ইতোমধ্যে মনোনয়নের সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে। তবে রবের স্ত্রী জেএসডির সহসভাপতি তানিয়া রবকে ঢাকার উত্তরার একটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দেখা যেতে পারে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুন এ আসনটি ছাড়তে চাইছেন না। কারণ এলাকায় তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। তবে বৃহত্তর রাজনীতির স্বার্থে বিএনপি ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরকে ওই আসনটি দিতে চাইছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু কে বলেন, জোট গঠন ও মিত্র আসন ছাড়ের ব্যাপারে আলাপ-আলোচনা চলছে। পুরো বিষয়টি দেখছে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।
সম্পাদক: নজরুল ইসলাম (মিলন) || প্রকাশক: মো: মনজুরুল ইসলাম (রিপন)
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।