বেতাগীতে চার দেয়ালে অবরুদ্ধ কেন্দীয় শহীদ মিনার!
মো: সজল, বেতাগী -
চারদিক প্রাচীরে ঘেরা। ইট পাথরের কংক্রিট দিয়ে ১০ ফুট উঁচু প্রাচীর দেয়াল এবং ফটকে ঝুলছে তালা। এই দৃশ্য বরগুনার বেতাগী উপজেলা কেন্দীয় ূশহীদ মিনারের। এর অবস্থান উপজেলা ভূমি অফিসের সীমানার মধ্যে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চারপাশে ভুমি অফিসের জমিতে ওয়াল তৈরি করায় ভিতরে শহীদ মিনার থাকায় তালাবদ্ধ হয়ে গেছে। এমনটাই জানাগেছে ভূমি অফিস কতৃপক্ষদের কাছ থেকে।
উপজেলা পরিষদের আগের ইউএনও ও সহকারী ভূমি অফিসারের থাকা কালীন সময় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। সময়ের সঙ্গে শহীদ মিনারের শ্রী বাড়ানো হয়েছে। দামি টাইলসে মোড়ানো হয়েছে স্তম্ভ। তবে সামনের বা পাসের ফাঁকা জায়গায় কোন কাজ না করায় বৃষ্টি ও সামান্য শিশির এর পানিতেও একদম বৃশ্রী অবস্থা হয়ে যায়। সেই সঙ্গে সীমানাপ্রাচীরের লোহার দরজায় আরও মজবুত তালা ঝোলানো হয়েছে। দীর্ঘ সময় তালাবদ্ধ থাকায় পরিচ্ছন্নতার অভাবে ময়লায় ঢাকা পড়ে শহীদ মিনার। একুশে ফেব্রুয়ারি এলে ঝাড়ামোছা আর রংচং করে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য প্রস্থুত করা হয়।
শিক্ষাগুরু শাহজাহান মিয়া বলেন, রক্তের বিনিময়ে আমরা মাতৃভাষা বাংলাকে পেয়েছি। বাংলা ভাষা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও পেয়েছে। অন্য কোনো শহীদ মিনারকে প্রাচীরে ঘিরে তালাবদ্ধ করে রাখতে দেখিনি। বেতাগীতে বেরাতে এসে এমন দুঃখজনক দৃশ্য দেখলাম। তরুণ প্রজন্মের কাছে শহীদ মিনার অপার শিক্ষার জায়গা। ভাবতে অবাক লাগে, এমন একটি পবিত্র জায়গাকে কীভাবে অবরুদ্ধ করে রাখা যায়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: বশির গাজী দৈনিক আমদের সময়'কে বলেন, শহীদমিনারটি ভূমি অফিসের বাউন্ডারির ভিতরে পরাায় অফিসের নিরাপত্তার জনিত কারনে এমনটা হূেয়ছে। তবে শহীদ মিনার স্থানান্তরের কাজ চলছে।
এই বিষয় জানতে চাইলে জেলা প্রশাাসক মোহাম্মদ শফিউল আলম দৈনিক আমাদের সময়'কে বলেন, উপজেলা প্রশাাসন আছে, তারা পদক্ষেপ নিবে এই বিষয় আমি বক্তব্য দিতে ইচ্ছুক নয়।