বেতাগীতে প্রশাসককে আড়াল করে 'সহকারি' সরকারি রড বিক্রি,বিডিও ভাইরাল!
মোঃ সজল মাহমুদ,বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ
বরগুনার বেতাগী পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের ওয়াপদা রোডে পৌরসভার প্রধান সহকারী তুহিন সিকদারের বাসভবনের বাউন্ডারির মধ্যে বসে সরকারি রড বিক্রি করার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনা টক অব দ্যা টাউনে পরিণত হয়েছে।ভিডিওতে দেখা যায়, সরকারি রড দুইজন শ্রমিক ওজন দি”চ্ছেন।
শ্রমিক সবুজ কাছ থেকে যানা যায়, এই রড ৬০ টাকা ধরে বিক্রি করা হয়েছে। শ্রমিকদের ধারনা ২-৩০০ কেজি রডের কম না। ইটের খোয়া প্রতি ফুট ১১০ টাকা করে দাম ধরা হয়েছে। তারা আরও জানায় পৌরসভার প্রধান সহকারী তুহিন সিকদারের সাথে যোগাযোগ করলে আরও অনেক কিছু কেনা যাবে।
সরকারি মালামাল তুহিনের বাস ভবনে বসে সরকারি মালামাল বিক্রির প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সবুজ আরও বলেন, তুহিন ভাই আমাগো এখানে রাখতে বলছে রাখছি এবং আজ বিক্রি করতে বলছে তাই মাপতেছি।
গত ৮ জানুয়ারি ব্যায়ামাগার ভেঙে মালামাল পৌরসভা কতৃপক্ষ সংগ্রহের কথা থাকলেও প্রায় ৩০০ কেজি রড প্রধান সহকারি তুহিন সিকদারের বাসভবনে নিয়ে যায়। প্রায় ১৫০০ ফুট ইটের খোয়া বাস ভবনের পাশে বাগানে রাখেন। পরে করা বিক্রি করেন তিনি।
২০২০-২১ অর্থবছরে এলজিএসপি-৩ প্রকল্পের অর্থায়নে নির্মান করা হয়েছিল ব্যায়ামাগারটি। নির্মাণের পর এটি আর ব্যবহার করা হয়নি। উপজেলা পরিষদের বাউন্ডারির মধ্যে পড়ায় ভাঙার জন্য নোটিশ দিয়েছিল উপজেলা পরিষদ। পরে পৌরসভা কতৃপক্ষ ভেঙে নিলেও মালামাল নিয়ে যায় তুহিন সিকদার।
এবিষয়ে তুহিন সিকদার জানান, রড বিক্রি করেছিলেন শ্রমিকরা। পরে তা ফেরত এনে পৌরসভার গ্রেজে রেখেছি। খোয়া রাখার জায়গা না থাকায় আমার বাড়ির পাশে বাগানে রাখা হয়েছে। পৌরসভা থাকতেও কেন তিনি তার বাসায় নিয়ে গেলেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, নিরাপত্তার ঝুকির কারনে নিয়ে গিয়েছিলাম। পৌরসভার পাশে খোয়া রাখার জায়গা না থাকায় ওখানে রাখছি।
এই বিষয় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, আমি বিষয়টি জেনে বেতাগীর প্রশাসককে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলেছি।