বগুড়া শেরপুর উপজেলার গারিদহ ইউনিয়নের রামেশ্বরপুর শামছুল উলুম বালিকা দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি নিয়ম বহির্ভূতভাবে গোপনে করা ও সুপারের বিরুদ্ধে নানা দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
এলাকাবাসী জানান, সুপার আব্দুল হাকিম গোপনে কমিটি গঠন করেছে।তাছাড়া মাদ্রাসা নিয়োগ বানিজ্য ও প্রতিষ্ঠানের টাকা লুটপাট করেছে।কমিটির তফসিল প্রচার করার বিধান থাকলে ও অধ্যক্ষ উক্ত তফসিল প্রচার করেননি। অনলাইন এবং অফলাইন কোন মাধ্যমে উক্ত তফসিল প্রচার করা হয়নি এমনটি দাবি স্থানীয় অভিভাবকদের।
মাদ্রাসার ভাইস সুপার আবু বকর ছিদ্দিক উল্লেখিত বিষয়টি স্বীকার করেন। তিনি বলেন গভর্নিং বডি গঠনের কোন বিষয় তিনি অবগত নন।
মাদ্রাসা নিয়োগ বানিজ্যে একাধিক প্রার্থী থেকে টাকা নিয়ে চাকরি না দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় মোস্তাফিজুর নামে ভূক্তভগী ইবতেদায়ী প্রধানের জন্য ৫ লক্ষ টাকা সুপারকে প্রদান ও ভূক্তভূগি আবু জাফর কেরানি আবু সাইদকে সিকিউরিটি গার্ডের জন্য ২ লক্ষ টাকা দিলেও চাকরি তো হয়নি বরং টাকাও ফেরত দেননি।
এ বিষয়ে শেরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আশিক খান জানান মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেয়েছি,তদন্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।মাদ্রাসার কমিটির বিষয়ে বলেন,কমিটি নির্ধারণ করা বোর্ডের ও মাদরাসা প্রধানের কাজ,এ বিষয়ে আমাদের করার কিছু নেই।