
উত্তরবঙ্গকে সবুজ বেষ্টনী গড়ার প্রত্যয়ে বগুড়া শাজাহানপুরের ১ লক্ষ তাল ও খেজুর বীজ রোপনের উদ্যোগ নিয়েছে বৃক্ষ প্রেমী আরিফুল।মঙ্গলবার (২৫ জুলাই ) দুপুর ৩ টায় উপজেলা প্রাঙ্গনে এই বৃক্ষ রোপন কর্মসূচী উদ্বোধন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন ছান্নু।

উক্ত প্রগ্রামে উপস্থিত ছিলেন,ভি পি সুলতান,
মেজর রবিউল ইসলাম, প্রফেসর জাফর আলমগীর,মাহফুজার রহমান বাবলু, আব্দুল্লাহ আল ফারুক, অটল সাহেব, ,বাদশা আলমগীর,রাকিব,নাজির,মোরসালিন, আল আলামিন সহ প্রমূখ।
উপজেলা চেয়ারম্যান বলেন, 
আমাদের শাজাহানপুরের বৃক্ষ প্রেমী আরিফুল ইসলাম এর এই মহৎ উদ্যোগ অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। আরিফুল এর মত সকলকে এগিয়ে আসতে হবে বৃক্ষরোপরে তাহলে আমরা সবুজ সুন্দর প্রকৃতি ঘেরা পরিবেশ পাবো। তিনি আরো বলেন, গাছ মানুষের প্রকৃত বন্ধু। তালগাছ আমাদের বিভিন্নভাবে উপকারে আসে বজ্রপাত থেকে রক্ষা করে তালগাছে কার্বনের স্তর বেশি থাকায় তা বজ্রপাত নিরোধে সহায়তা করে তাল গাছ এবং বর্তমান সময়ে জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য সকলকে তালগাছ সহ বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষরোপণ করতে হবে।
বৃক্ষ প্রেমে আরিফুল ইসলাম বলেন,বর্তমান সময়ে আমাদের মধ্য থেকে তালগাছ খেজুর গাছ কিন্তু হারিয়ে যেতে বসেছে। বর্তমানে এ কাজগুলো নেই বললেই চলে। নতুন করে কেউ লাগানোর চেষ্টা করে না কারণ এই কাজগুলো বড় হতে অনেক সময় লাগে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম হয়তো এই গাছ গুলো থেকে বঞ্চিত হবে। আগামী প্রজন্মের জন্য তার এই আয়োজন। তিনি আরো বলেন আমার স্বপ্ন বগুড়া জেলার ১২ উপজেলায় ১২ লক্ষ গাছ ও বীজ রোপন ও বিতরণ করে বগুড়া জেলাকে সবুজ সুন্দর করে গড়ে তোলা স্বপ্ন আমার।
তিনি আরও বলেন, সুন্দর পরিবেশ তৈরি করার জন্য বৃক্ষরোপনের গুরুত্ব অনেক। তিনি সকলকে বৃক্ষরোপনে এগিয়ে আসতে অনুরোধ জানান। প্রত্যেকে যেন পরিবেশকে সুন্দর অয়ন করার জন্য এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুন্দর পরিবেশ উপহার দিতে অন্তত প্রত্যেকে যেন দুইটি করে গাছ লাগায়।
মেজর রবিউল ইসলাম বলেন, বৃক্ষ প্রেমী আরিফুল ইসলাম এর এই অসাধারণ উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। আরিফুল ইসলাম আমাদের শাজাহানপুরের গর্ব। তিনি সব সময় তার সৃজনশীল চিন্তা ধারা নিয়ে শাজাহানপুর সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বৃক্ষরোপণ করেছে। আমি তার সফলতা কামনা করছি। আমি বিশ্বাস করি যে তার মাধ্যমে একদিন আমাদের শাজাহানপুর প্রতিটি জায়গা সবুজায়ন করবে এবং আমাদের সকলেরই উচিত বৃক্ষ প্রেমে আরিফুল ইসলাম এর মত বৃক্ষকে ভালোবেসে প্রকৃতিকে ভালোবেসে কাজ করে যাওয়া।
আগামীতে সুন্দর এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে এই কর্মসূচি মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে জানান উপজেলাবাসী