বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার চোপিনগর ইউনিয়নের দড়িপাড়া গ্রামের শফিকুল ইসলাম শফিকের বিরুদ্ধে একটি ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির নামে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আব্দুল বাকী মোল্লার ছেলে নাইস হোসেন সুজন শাজাহানপুর থানায় বাদী হয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চক চোপিনগর গ্রামের নাইস হোসেন সুজন ২০০৮ সালের ১৫ অক্টোবর হোমল্যান্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের শাজাহানপুর শাখার মাধ্যমে ১৬ বছর মেয়াদি একটি বীমা করেন।
এক বছর যাওয়ার পরে ভুক্তভোগী জানতে পারেন তার সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে তখন তিনি আর টাকা পরিশোধ করেনি।
পরবর্তীতে অভিযুক্ত শফিক বলেন ম্যাথ পরিপূর্ণ হইলে টাকা পেয়ে যাবেন।
বীমার মেয়াদ শেষে তিনি প্রায় জমাকৃত ২৭ হাজার ৫৮৫ টাকা পাওয়ার কথা থাকলেও দীর্ঘদিন অতিবাহিত হওয়ার পরও তার টাকা পরিশোধ করা হয়নি।
ভুক্তভোগীর দাবি, বীমা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী শফিকুল ইসলাম শফিক বারবার টাকা দেওয়ার আশ্বাস দিলেও শেষ পর্যন্ত কোনো অর্থ প্রদান করেননি। টাকা চাইতে গেলে তিনি নানা ধরনের তালবাহানা করেন এবং একপর্যায়ে টাকা দিতে অপারগতার কথা জানান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় গত ৩ জুন সকাল ৭টার দিকে শফিকুল ইসলামের কাছে টাকা চাইতে গেলে তিনি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং বিভিন্ন ধরনের অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে।
শফিক কামারপাড়া দড়িপাড়া গ্রামের মৃত হায়দার আলীর ছেলে।
চক চোপিনগর গ্রামের প্রত্যক্ষদর্শী জহুরা বেগম বলেন আমরা সবাই দেখেছি শফিক অধিক মুনাফার কথা বলে গ্রামের সাধারণ মানুষের সরলতার সুযোগ নিয়ে বিমা ইন্সুরেন্সের নামে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
এছাড়াও আরেক এক ভুক্তভোগী মারুফা বলেন আমি আমার দীর্ঘ দিনের জামানো টাকা ফেরত চেয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরছি।
শফিক না ভাবে তালবাহানা করছে।
জানতে চাইলে শফিকের নিয়োগকারী সদস্য সংগ্রহ কর্মী তাকিয়া আক্তার বলেন দীর্ঘদিন ধরে শফিক আমার থেকে ভুলভাল বুঝিয়ে অধিক মুনাফার কথা বলে সাধারণ মানুষকে টার্গেট করে আমার থেকে বেশ কয়েকজন সদস্য সংগ্রহ করে নিয়েছে আমি এখন পর্যন্ত আমার বেতনও পাইনি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শফিক বলেন। টাকা তো আমি নেয় নি অফিসে কথা বলেন, অফিসের মামলা সহ বিভিন্ন ঝামেলা চলছে সমাধান হলে টাকা পেয়ে যাবেন।
শাজাহানপুর থানার ওসি আশিক ইকবাল বলেন
শফিকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ
পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে।