আরিফুল ইসলাম, শিবগঞ্জ ,বগুড়াঃ
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জন্য অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ ছিল নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে আনা। সেই লক্ষ্য পূরণে সরকার ইতিমধ্যেই সফল হয়েছে বলে দাবি করছেন অনেকেই। এর বাস্তব প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে শিবগঞ্জের কাঁচা বাজারগুলোতে— যেখানে বর্তমানে সবজির দাম স্বাভাবিক এবং সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে, ফলে স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ মানুষের মাঝে।
সোমবার (২৬ মে) শিবগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেগুন বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২৫-৩০ টাকায়, পেঁয়াজ ৫০ টাকা, কাঁচা মরিচ ২০ টাকা, ঢেঁড়স ২০ টাকা , পটল ও মিষ্টি কুমড়া ২০-২৫ টাকায়। করলা ও টমেটো মিলছে ৪০ টাকা কেজি দরে। এছাড়া বিভিন্ন শাকসবজি ১০-২০ টাকায় এবং রসুন ১০০-১১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
গাংনগর বাজারের সবজি বিক্রেতা ফিরুজুল ইসলাম বুলু বলেন, "বাজারে এখন সবকিছুই অনেকটা কম দামে, তাই ক্রেতারা ব্যাগ ভর্তি করে বাজার করছেন।" আরেক বিক্রেতা জানান, "কাঁচা বাজারে কোনো সংকট নেই, পণ্য সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় দামও নিয়ন্ত্রণে।"
বাজার করতে আসা ক্রেতা ইমরান জানান, "আগের চেয়ে অনেক কম দামে সবজি পাচ্ছি। এতে করে স্বস্তিতে বাজার করতে পারছি। ।"
তবে অন্য এক চিত্র তুলে ধরেছেন কৃষকরা। তাদের অভিযোগ, সার ও ডিজেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় চাষাবাদে ব্যয় বেড়েছে। কিন্তু উৎপাদিত ফসলের দাম ততটা না পাওয়ায় তারা লোকসানের মুখে পড়ছেন। অনেক কৃষক আশঙ্কা করছেন, এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে উৎপাদনে আগ্রহ হারাতে পারেন অনেকেই।
অন্তর্বর্তী সরকার বাজার মনিটরিং ও সরবরাহ ব্যবস্থায় তৎপর থাকায় এখন পর্যন্ত বাজারে কোনো অস্থিরতা তৈরি হয়নি। তবে কৃষকদের স্বার্থ সংরক্ষণে দীর্ঘমেয়াদি নীতিমালা নেওয়ার দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।