
মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধেই দ্বিগুণ ব্যবধানে পিছিয়ে ছিল স্কটল্যান্ড। বিরতির পর তারা ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে আক্রমণ চালায়। তবে কিছুতেই গোলের দেখা পাচ্ছিল না স্কটিশরা। গোললাইন থেকে একাধিক বল ফেরত পাঠিয়ে তাদের হতাশ করেছেন অ্যালিসন বেকার। এরই মাঝে ৬০ উল্টো তাদের আবারও পিছিয়ে দিলেন কুনহা। ম্যাচে ব্রুনো গুইমারেসের দ্বিতীয় অ্যাসিস্টে তিনি আসরের তৃতীয় গোলটি করলেন।
স্কটিশ গোলরক্ষক অ্যাঙ্গাস গুনকে কাটিয়ে যা ঠাণ্ডা মাথায় তিনি জালে জড়ান। এরপর প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে দারুণ এক হেডে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ভিনিসিয়ুস। তার উদ্দেশে ক্রস বাড়িয়ে ছিলেন গুইমারেস। লাফিয়ে সেটিকে জালে পৌঁছে চলতি বিশ্বকাপে নিজের চতুর্থ গোল পেলেন ভিনি। এরপর নাচলেন কর্নার ফ্ল্যাগ ধরে।
আরও বেশ কয়েকটি সুযোগ নষ্ট না করলে ব্রাজিলের জয়ের ব্যবধানটা বাড়তে পারত। তবে ২০২৩ সালের ১৭ অক্টোবরের পর নেইমারের প্রত্যাবর্তন এবং ‘সি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে ওঠায় সেই আক্ষেপ আর থাকার কথা নয় সেলেসাওদের। এ ছাড়া দ্বিতীয়ার্ধে ব্রাজিলের রক্ষণে একের পর হানা দেওয়া স্কটল্যান্ডকে রুখে দিতে দুর্দান্ত সব সেভ করেছেন ব্রাজিল গোলরক্ষক অ্যালিসন। বিশেষ করে স্কটিশ প্রধান তারকা স্কট ম্যাকটোমিনের একাধিক প্রচেষ্টা ছিল অনবদ্য।