
সরকারি ছুটির দিনে বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার শৈলধুকড়ী এ.ইউ.আই. দাখিল মাদ্রাসায় অফিস সহায়ক (পিয়ন) পদে নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজনকে কেন্দ্র করে নানা প্রশ্ন ও অভিযোগ উঠেছে।
পছন্দের প্রার্থীকে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রায় ২০ লাখ টাকা আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। তবে অভিযোগের পক্ষে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো নথি বা প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি তারা।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়নি এবং আগে থেকেই একজন প্রার্থীকে নির্ধারণ করা হয়েছিল। তাদের দাবি, কথিত ২০ লাখ টাকার মধ্যে বিএনপি নেতাসহ নিয়োগ বোর্ডের প্রতিনিধিদের ১০ লাখ টাকা এবং বাকি টাকা মাদ্রাসার সুপার ও সভাপতির মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতা আমজাদ হোসেন। তিনি সংবাদ বুলেটিনকে বলেন, ‘পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিধি মোতাবেক স্বচ্ছতার সঙ্গে যোগ্য প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কোনো আর্থিক লেনদেন হয়নি।
নিয়োগ বোর্ডে উপস্থিত ছিলেন শাজাহানপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. মাহবুবুল হোসেন, ডিজি প্রতিনিধি জিএম শামসুল আলম (ঢাকা), মাদ্রাসার সুপার মো. আব্দুর রহমান, সহকারী সুপার মো. সাইফুল ইসলাম, শিক্ষক প্রতিনিধি মো. হুমায়ূন কবির এবং মাদ্রাসার সভাপতি মো. সুজা উদ্দিন।
মাদ্রাসার সভাপতি মো. সুজা উদ্দিনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
মাদ্রাসার সুপার মো. আব্দুর রহমান স্থানীয় সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না।
এ বিষয়ে শাজাহানপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মাহবুব আলম সংবাদ বুলেটিনকে বলেন, ‘সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী ছুটির দিনে নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষায় যে ভালো ফল করেছে, তাকে নির্বাচিত করা হয়েছে। নিয়োগের দায়িত্ব মাদ্রাসা কমিটির। আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে আমি অবগত নই।
এদিকে এলাকাবাসীর দাবি, সরকারি ছুটির দিনে পরীক্ষা আয়োজন এবং স্থানীয়ভাবে পর্যাপ্ত প্রচার না থাকায় নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে তাদের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে। তারা বর্তমান নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করে স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশ্য বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন করে নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।




