
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগ-বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ২৫ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর আগে শুক্রবার ছাত্রলীগের ১৪ জন কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
রবিবার (৭ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেন নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) টি, এম, মোশাররফ হোসেন। এর আগে, শনিবার দিবাগত রাত থেকে রবিবার সকাল পর্যন্ত সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ সুপার।
এদিকে, সদর উপজেলার নোয়ান্নই ও কালাদরাপ ইউনিয়নে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে নোয়াখালী সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামকে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত (ক্লোজড) করা হয়েছে। তবে পুলিশ প্রশাসনের দাবি, এটি নিয়মিত প্রশাসনিক বদলির অংশ।
একই আদেশে ফেনীর সোনাগাজী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল ইসলামকে সুধারাম মডেল থানার নতুন ওসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সুধারাম থানার পরিদর্শক (অপারেশন) শ্রীরাম ভট্টাচার্যকে হাতিয়া থানার ওসি (তদন্ত) হিসেবে এবং হাতিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ইদ্রিসুর রহমানকে সুধারাম মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
নোয়ালীর পুলিশ সুপার (এসপি) টি, এম, মোশাররফ হোসেন বলেন, সুধারাম মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামকে পুলিশ লাইন্সে বদলী করা হয়েছে। এটি নিয়মিত প্রশাসনিক বদলির অংশ। গত দুই দিনে জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ৪৯ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।




