৭ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৪শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৭ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৪শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৮ই শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

করতোয়ায় প্রাণের সঞ্চার, সঙ্গে ইছামতী-গজারিয়া—১১শ’২২ কোটি টাকার প্রকল্প

spot_img

দখল দুষনে মৃত প্রায় করতোয়া নদী এবার প্রাণ ফিরে পেতে যাচ্ছে। নতুন সরকার
করতোয়া নদী পুনঃখননের উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে। করতোয়া নদীর ১২৩ কিলো মিটারসহ ইছামতী ও গজারিয়া নদীও খনন করা হবে। সব মিলিয়ে খনন করা হবে ২৩০ কিলোমিটার গতিপথ। এ জন্য ১১শ ২২ কোটি টাকার নতুন প্রকল্প হাতে নেওয়া হচ্ছে। দীর্ঘ দিন ধরে করতোয়া বাঁচাও আন্দোলন করে চলেছে পরিবেশবাদী সংগঠন গুলো।

করতোয়া নদী খননের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে প্রায় ৪৭ কোটি টাকা ব্যয়ে করতোয়া নদীর বগুড়া শহরের অংশ খনন, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে নদীর তীর সংরক্ষণ ও ওয়ার্কওয়ে নির্মান, ছাতা স্থাপন ও সুন্দর্য্য বর্ধনের কাজ করা হয়েছে। নতুন এই প্রকল্প অনুমোদন হলে শুধু করতোয়া নদী নয় ইছামতী ও গজারিয়া নদীতে আবারও পানির স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ ফিরে আসবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড এর নেওয়া প্রকল্প প্রস্তাবে বলা হয়েছে, নদীটি পুনঃখনন করা হলে তাতে করতোয়া নদী ইছামতী নদী ও গজারিয়া নদীতে আবারও পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরে আসবে। এতে করে নদীর তীরবর্তী সংশ্লিষ্ট এলাকার সেচসুবিধা যেমন বাড়বে, তেমনি বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নদীর তীর ভাঙন ও দখল-দূষণ প্রতিরোধ করা যাবে।

আগামি সোমবার অনুষ্ঠেয় বিএনপি সরকারের প্রথম জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় নতুন এ প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করা হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। বগুড়া শহরের মৃত প্রায় নদীটিতে প্রাণ ফিরিয়ে আনতে ও শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য যাচাই বাছাইয়ের পর প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছে।

এরশাদ সরকারের সময় নদীর উৎসমুখে বাঁধ নির্মাণ করা হলে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়। এরপর থেকে নদীটির শীর্ণ দশা শুরু হয়। বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের বালুতে নদীটির উৎসমুখ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে নদীর পানি প্রবাহ কমতে থাকে। বর্তমানে নদীটি মৃত প্রায় অবস্থায় রয়েছে। করতোয়ায়  পৌরসভার সব ড্রেনের পানি এসে পড়ছে ফলে নদীর পানি দুষিত হওয়ার পাশাপাশি  দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে এই প্রকল্প প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ৪ বছর মেয়াদী এই প্রকল্প ২০৩০ সালের জুন মাসে শেষ হবে। প্রকল্পের আওতায় প্রায় ২৪ হেক্টর ভূমি অধিগ্রহণ করা হবে। নদী তীরবর্তী ছয় কিলোমিটার স্লোপ প্রকেটশনের মাধ্যমে শহরের ঘরবাড়ি, বিভিন্ন স্থাপনাসহ সাড়ে তিন কিলোমিটার নদী তীর রক্ষায় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সর্বাধিক জনপ্রিয়

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- বিজ্ঞাপন -spot_img

সর্বশেষ