২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
১২ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

যাদুকাটা নদীর পাড় কাটায় প্রাকৃতিক সম্পদ হুমকির মুখে:ওসিকে প্রত্যাহারের দাবি

spot_img

তুর্য দাস, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:
জেলার তাহিরপুর উপজেলার যাদুকাটা নদীর পাড় কেটে বালু উত্তোলন করায় দেশের বৃহৎ শিমুলবাগান ও যাদুকাটা নদী হুমকীর মুখে রয়েছে বলে জানিয়েছেন তাহিরপুর বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। এই কাজে তাহিরপুর থানার ওসি এসএম মাইনুদ্দিন ও এসআই হেলাল জড়িত থাকায় তাদের প্রত্যাহারেরও দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার দুপুরে সুনামগঞ্জ পৌর শহরের আলফাত স্কয়ারে তাহিরপুরের বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতার ব্যানারে মানববন্ধনে এই দাবি করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রতিরাতে যাদুকাটা নদীর পাড় কেটে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে দেশের বৃহৎ শিমুলবাগানসহ কয়েকটি গ্রাম হুমকির মুখে রয়েছে। বিষয়টি অনেকবার প্রশাসনকে জানালেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
তাহিরপুর বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মী মো. আজিজুর রহমান কাওসার বলেন, যাদুকাটা নদীর পাড় কাটা বন্ধ হচ্ছে না। আমরা বারবার অভিযোগ করার পরও নদীর পাড় কাটা চলছে। রাতের আঁধারে রানু মেম্বার, নোয়াজ আলী মেম্বার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে অবৈধ ভাবে নদীর পাড় কেটে অসংখ্য গ্রামের বাড়ি-ঘর ধ্বংস করছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নষ্ট করছে। যাদুকাটা নদী, শিমুল বাগানসহ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা মাঠে নেমেছে।
শিক্ষার্থী আজিজুর রহমান কাউসার বলেন, তাহিরপুর থানার ওসি এসএম মাইন উদ্দিন, এসআই হেলাল, রানু মেম্বার, নোয়াজ আলী মেম্বার সরাসরি জড়িত রয়েছে। প্রতি রাতে তারা ১০ থেকে ১২ লক্ষ টাকা কালেকশন করছেন। আমরা চাই, এই যাদুকাটা নদী, দেশের বৃহৎ শিমুল বাগানসহ তাহিরপুর উপজেলায় যে প্রাকৃতিক সম্পদ আছে, সেগুলো রক্ষায় নদীর পাড় কাটা বন্ধ হোক।
মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মী জাহিদ আল সুজন, বশির উদ্দিন এবং মইনুল ইসলাম প্রমুখ।
মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রাশেদ ইকবাল চৌধুরী ও পুলিশ সুপার এমএন মুর্শেদ’র কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা।
তুর্য দাস, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:
জেলার তাহিরপুর উপজেলার যাদুকাটা নদীর পাড় কেটে বালু উত্তোলন করায় দেশের বৃহৎ শিমুলবাগান ও যাদুকাটা নদী হুমকীর মুখে রয়েছে বলে জানিয়েছেন তাহিরপুর বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। এই কাজে তাহিরপুর থানার ওসি এসএম মাইনুদ্দিন ও এসআই হেলাল জড়িত থাকায় তাদের প্রত্যাহারেরও দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার দুপুরে সুনামগঞ্জ পৌর শহরের আলফাত স্কয়ারে তাহিরপুরের বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতার ব্যানারে মানববন্ধনে এই দাবি করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রতিরাতে যাদুকাটা নদীর পাড় কেটে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে দেশের বৃহৎ শিমুলবাগানসহ কয়েকটি গ্রাম হুমকির মুখে রয়েছে। বিষয়টি অনেকবার প্রশাসনকে জানালেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
তাহিরপুর বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মী মো. আজিজুর রহমান কাওসার বলেন, যাদুকাটা নদীর পাড় কাটা বন্ধ হচ্ছে না। আমরা বারবার অভিযোগ করার পরও নদীর পাড় কাটা চলছে। রাতের আঁধারে রানু মেম্বার, নোয়াজ আলী মেম্বার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে অবৈধ ভাবে নদীর পাড় কেটে অসংখ্য গ্রামের বাড়ি-ঘর ধ্বংস করছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নষ্ট করছে। যাদুকাটা নদী, শিমুল বাগানসহ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা মাঠে নেমেছে।
শিক্ষার্থী আজিজুর রহমান কাউসার বলেন, তাহিরপুর থানার ওসি এসএম মাইন উদ্দিন, এসআই হেলাল, রানু মেম্বার, নোয়াজ আলী মেম্বার সরাসরি জড়িত রয়েছে। প্রতি রাতে তারা ১০ থেকে ১২ লক্ষ টাকা কালেকশন করছেন। আমরা চাই, এই যাদুকাটা নদী, দেশের বৃহৎ শিমুল বাগানসহ তাহিরপুর উপজেলায় যে প্রাকৃতিক সম্পদ আছে, সেগুলো রক্ষায় নদীর পাড় কাটা বন্ধ হোক।
মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মী জাহিদ আল সুজন, বশির উদ্দিন এবং মইনুল ইসলাম প্রমুখ।
মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রাশেদ ইকবাল চৌধুরী ও পুলিশ সুপার এমএন মুর্শেদ’র কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা।

সর্বাধিক জনপ্রিয়

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- বিজ্ঞাপন -spot_img

সর্বশেষ