
লক্ষ্মীপুরে এক প্রবাসীর স্ত্রীর শরীরে ৪৭ জন ভিন্ন ব্যক্তির শুক্রাণু বা ডিএনএ পাওয়া গেছে—এমন একটি দাবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। তবে এ দাবির সত্যতা নিয়ে দেখা দিয়েছে গুরুতর প্রশ্ন।
ভাইরাল হওয়া তথ্যে বলা হয়, দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকা এক স্বামী দেশে ফিরে স্ত্রীর আচরণে সন্দেহ পোষণ করেন। পরবর্তীতে তিনি স্ত্রীর ডিএনএ পরীক্ষা করান। সেই পরীক্ষার ফলাফলে নাকি ৪৭ জন ভিন্ন ব্যক্তির আলামত পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়।
তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো নির্ভরযোগ্য মূলধারার গণমাধ্যম বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সূত্রগুলোও বিষয়টিকে গুজব বা অতিরঞ্জিত তথ্য হতে পারে বলে ধারণা করছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈজ্ঞানিকভাবে একজন নারীর শরীরে দীর্ঘ সময় পর একাধিক ব্যক্তির সক্রিয় শুক্রাণু বা ডিএনএ শনাক্ত হওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত জটিল এবং এ ধরনের দাবি সহজে বিশ্বাসযোগ্য নয়।
এ অবস্থায় বিষয়টির সত্যতা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত এমন সংবেদনশীল তথ্য যাচাই ছাড়া প্রচার না করারও আহ্বান জানানো হয়েছে।




