নতুন আইন অনুযায়ী, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) সব ক্যাডার এবং ক্যাডারবহির্ভূত সরকারি চাকরিতে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা হবে ৩২ বছর। এছাড়া স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ ও পাবলিক নন-ফাইন্যানসিয়াল করপোরেশনসহ স্ব-শাসিত সংস্থাগুলোর ক্ষেত্রেও একই বয়সসীমা কার্যকর হবে।
বিলটি উত্থাপনের সময় সম্পূরক কার্যসূচি নিয়ে পয়েন্ট অব অর্ডারে কথা বলেন বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিয়ে বিশেষ কমিটি রিপোর্ট দিয়েছে। এই বিষয়গুলো জুলাই বিপ্লবের চেতনার সঙ্গে সম্পৃক্ত।
জবাবে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, প্রতিটি অধ্যাদেশই পর্যায়ক্রমে সংসদে তোলা হবে এবং আলোচনার সুযোগ থাকবে। তবে আজ যে বিলটি আনা হয়েছে, সেটির বিষয়ে বিশেষ কমিটি সর্বসম্মতভাবে পাসের সুপারিশ করেছিল।
জনপ্রশাসন মন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বিলের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে বলেন, চাকরিপ্রার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রথমে অধ্যাদেশের মাধ্যমে বয়সসীমা ৩২ বছর করা হয়েছিল। কিন্তু কিছু নিয়োগবিধিতে বয়সসীমা আরও বেশি থাকায় জটিলতা তৈরি হয়।
উল্লেখ্য, বিলে উল্লিখিত নিয়ম অনুযায়ী এখন থেকে দেশের সব ধরনের সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে সরাসরি জনবল নিয়োগের ক্ষেত্রে ৩২ বছরের নিয়মটি বাধ্যতামূলকভাবে অনুসরণ করতে হবে।




