৯ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৬শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
৯ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৬শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২২শে জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

বেরোবিতে ইতিহাস ও প্রত্নতত্ব বিভাগের চড়ুইভাতি ও পুরুস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান পালন

spot_img

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক:

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি)ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার এবং চড়ুইভাতির অনুষ্ঠান দিনব্যাপী পালন করা হয়েছে।

আজ শনিবার (৫অক্টোবর) কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ার দ্বিতীয় তলায় দিনব্যাপী ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং চড়ুইভাতি অনুষ্ঠান পালন করা হয়েছে ।ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহকারি অধ্যাপক সোহাগ আলীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটির পরিচালিত হয়।এ সময় উপস্থিত ছিল বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক আরা তানজিয়া,সহযোগী অধ্যাপক মো: গোলাম রব্বানী, সহযোগী অধ্যাপক ড. মো: মনিরুজ্জামান,সহকারী অধ্যাপক মো:সোহাগ আলী প্রভাষক মো: রবিউল ইসলাম, প্রভাষক মো:মনিরুল ইসলাম ও প্রভাষক সীমা আক্তার এবং বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিল।

এই সময় শিক্ষার্থীরা বলেন, এই ধরনের খেলার আয়োজন আমাদের মধ্যে সজীবতা নিয়ে এসেছে।খেলাধুলা আমাদের শুধু আনন্দ দেয় না। খেলাধুলার মাধ্যমে আমাদের শুধু শারীরিক ব্যায়াম হয় না। এর মাধ্যমে আমরা মানুষিক প্রশান্তি লাভ করি। শরীর ও মন ভালো রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প হয় না।কিন্তু যখন আমরা খেলার পুরুস্কার পাই তখন আমাদের অন্য রকম ভালো লাগা কাজ করে।আর পুরস্কার হিসেবে যে মেডেল বা পুরুস্কার পাই এটা আমাদের পরবর্তী জীবনের জন্য একটা বড় পাওয়া থাকে।বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের অর্জন গুলো পরবর্তী জীবনে এভাবে স্মৃতি হিসেবে থাকে যা পরবর্তী প্রজন্মের জন্য একটা অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।

ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আহ্বায়ক সহযোগী অধ্যাপক ড. মো:মনিরুজ্জামান বলেন,
ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের চড়ুইভাতি ও পুরস্কার পুরস্কার বিতরনীর আয়োজন করা হয়েছে। ক্রীড়া পুরস্কার বিতরনী ও চড়ুইভাতির আয়োজন করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।আজ সকাল থেকে বিভিন্ন কার্যক্রম চলতে থাকে। এতে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী থেকে মাস্টার্স শিক্ষার্থী পর্যন্ত অংশগ্রহণ করে। এ যেন ইতিহাস প্রত্নতত্ন বিভাগের মিলন মেলায় পরিণত হয়েছে। যেখানে ছোটরা বড়দের কাছ থেকে পারে অনেক কিছু। শিক্ষার্থীদের অনুভূতি শুনে জানা যায়। “আমরা অনেকদিন পর একত্রিত হয়েছি। একই সাথে দুঃখ প্রকাশ করছি আমাদের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ আমাদের মাঝ থেকে চলে গেছে.।আজকের প্রোগ্রাম করতে যারা সহায়তা করেছে তাদের কে আন্তরিক ধন্যবাদ। “আগামীতেও ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের পক্ষ থেকে এ রকম আয়োজন অব্যাহত থাকবে। আমরা আশা করি, এসব আয়োজন শিক্ষার্থীরা উপভোগ করবে এবং শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে সহায়ক হবে।

ইতিহাস ও প্রত্নতত্ব বিভাগের বিভাগীয় চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক আরা তানজিয়া বলেন,শিক্ষার্থীদের শুধুমাত্র পড়াশুনার প্রতি সীমাবদ্ধ না থেকে এ ধরনের সংস্কৃতি ও ক্রীড়া চর্চার প্রতি সম্পৃক্ত হবার আহ্বান জানান। ইতিহাস ও প্রত্নতত্ব বিভাগকে এভাবে প্রতিবছর এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন করার আশাবাদ ব্যাক্ত করেন ।

সর্বাধিক জনপ্রিয়

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- বিজ্ঞাপন -spot_img

সর্বশেষ