
গোবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মুসলিম নারী শিক্ষার্থীরা সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
বুধবার (১৪ মে) দুপুর ১২ টায় একাডেমিক ভবনের সামনে সংবাদ সম্মেলন করেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ মুসলিম নারী শিক্ষার্থীবৃন্দ তাদের ধর্মীয় অধিকার ও মানবিক দাবিসমূহ তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনে নারী শিক্ষার্থীরা জানান,” বিগত বছরগুলোতে আমাদের ক্যাম্পাসে ধর্মীয় অনুশীলনের ক্ষেত্রে বেশ কিছু বৈষম্যের সম্মুখীন হতে হয়েছে, যা একজন ধর্মপ্রাণ মুসলিম নারীর জনা অত্যন্ত কষ্টদায়ক। আমরা মনে করি, একজন শিক্ষার্থী হিসেবে যেমন আমাদের একাডেমিক অধিকার রয়েছে, তেমনি সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত ধর্মীয় অধিকারও রয়েছে।”
এসময় তারা বাংলাদেশের সংবিধানের ৪১ অনুচ্ছেদ তুলে ধরে ৩ টি দাবি উত্থাপন করেন।
তাদের তিনটি মূল দাবি নিচে উপস্থাপন করা হলো:
প্রথম দফায়,পর্দা ও ধর্মীয় পরিধানের অধিকার ক্লাস, প্রেজেন্টেশন, পরীক্ষা, ভাইভা বা অন্য কোনো প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় নারী শিক্ষার্থীদের নিকাব বা বোরকা খুলতে বাধ্য করা যাবে না।
দ্বিতীয় দফায়,একাডেমিক ভবনে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ, পরিষ্কার এবং যথাযথভাবে পৃথক নামাজের কক্ষ ও ওষুর সুপরিকল্পিত ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে ক্লাস বিরতির সময় নামাজ আদায়ে কোনো বাধা না থাকে।
তৃতীয় দফায়,একাডেমিক ভবনে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য প্রত্যেক তলায় আলাদা ওয়াশরুমের ব্যবস্থা করা এবং ক্যাম্পাস পরিবহনে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য অন্তত ক্যাম্পাস থেকে শহর পর্যন্ত একটি নির্দিষ্ট বাসের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে নিয়ে তারা জানান,” আমরা ইতিপূর্বেও প্রশাসনের কাছে এসব বিষয়ে আবেদন জানিয়েছি, কিন্তু এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।”
এছাড়াও তারা বলেন,” উপাচার্য ড. হোসেন উদ্দিন শেখর আমাদের দাবিগুলো মেনে নেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট সময় সীমা না দিলেও আজকে থেকে কার্যকর করার জন্য সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন।”




