
দৈনিক করতোয়া পত্রিকায় ‘অস্বীকারনামা’ শিরোনামে প্রকাশিত একটি বিজ্ঞাপনে নিজেকে রাজনীতি থেকে সরে যাওয়া ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করেছেন শাজাহানপুরের শাকিল মাহমুদ। বিজ্ঞাপনটি প্রকাশের পর এলাকায় তাকে ঘিরে অতীতের বিভিন্ন মামলা ও অভিযোগ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
পুলিশ ও আদালত-সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, শাকিল মাহমুদের বিরুদ্ধে শাজাহানপুর ও বগুড়া সদর থানায় অস্ত্র, মাদক, চাঁদাবাজি, বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, হত্যাচেষ্টা এবং সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, এসব মামলার মধ্যে কয়েকটিতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল হয়েছে, কয়েকটি বিচারাধীন রয়েছে এবং একটি মামলায় তিনি অব্যাহতি পেয়েছেন। অতীতে একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারেও পাঠানো হয়েছিল বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
এলাকার একাধিক বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই তাকে ঘিরে প্রভাব বিস্তার, ভূমি-সংক্রান্ত বিরোধ ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের অনেকগুলোর বিচারিক প্রক্রিয়া এখনও চলমান।
বিজ্ঞাপনে রাজনীতি থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অনেকেই জানতে চাইছেন, বিচারাধীন মামলাগুলোর প্রেক্ষাপটে এই অস্বীকারনামা প্রকাশের তাৎপর্য কী। এটি ব্যক্তিগত অবস্থান স্পষ্ট করার প্রচেষ্টা, নাকি জনমতের কাছে নতুন বার্তা দেওয়ার উদ্যোগ—তা নিয়েও চলছে আলোচনা।
তবে উল্লেখ্য, কোনো মামলায় আদালতের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আইনগতভাবে দোষী বলা যায় না। এ বিষয়ে শাকিল মাহমুদ বা তাঁর আইনজীবীর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা সংযোজন সাপেক্ষে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।




