২৪শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১১ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৪শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১১ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
৬ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটি প্রতিনিধি দলের নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি খুলনা পরিদর্শন

spot_img

ইন্দ্রজিৎ,এনইউবিটিকে প্রতিনিধি: পিএইডির সুযোগ বৃদ্ধি, একাডেমিক কার্যক্রমে উন্নয়ন ও ব্লু ইকোনমির সমৃদ্ধি নিয়ে নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এন্ড টেকনোলজি খুলনাতে (এনইউবিটিকে) দিনব্যাপী সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৭ এপ্রিল) শিববাড়ীস্থ নর্দার্ন ইউনিভাসির্টি খুলনার অস্থায়ী ক্যাম্পাসে টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটি ও নর্দান ইউনিভার্সিটি খুলনার মধ্যে সমঝোতা স্মারকের অংশ হিসেবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। নর্দার্ন এডুকেশন গ্রুপের চেয়ারম্যান ও নর্দার্ন ইউভার্সিটি অব বিজনেস এন্ড টেকনোলজি খুলনার প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য প্রসেসর আবু ইউসুফ মো. আবদুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির সন্মানিত উপাচার্য প্রফেসর ড. গৌতম সেনগুপ্ত। সকাল সাড়ে ১০ টায় শুরু হওয়া উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির ডিরেক্টর অব রিসার্চ প্রফেসর ড. অভিজিৎ মিত্র, নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এন্ড টেকনোলজি খুলনার রেজিস্ট্রার ড. মো. শাহ আলম , টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ড. কিশোর রয়, ড. সম্পা মিত্র এবং টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির ডিরেক্টর ও ভিজিটিং প্রফেসর ড. শ্যামা প্রসাদ ব্যাপারী।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. গৌতম সেনগুপ্ত বলেন, ” সারা পৃথিবীতেই এখন উচ্চশিক্ষায় শিক্ষকতা করার জন্য পিএইচডি ডিগ্রি বাধ্যতামূলক। গুণমান, সময় ও খরচ এই বিষয় গুলো মাথায় রেখে একজন শিক্ষার্থী পিএইচডির জন্য চিন্তা করে। সেক্ষেত্রে টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটি বিষয় গুলো মাথায় রেখেই ন্যাশনাল ও ইন্টারন্যাশনাল পর্যায়ে পিএইচডি করার সুযোগ দিচ্ছে।” এ সময় তিনি এ সেমিনারের মধ্যে দিয়ে নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এন্ড টেকনোলজির শিক্ষকরা পিএইচডির জন্য আরো আগ্রহী হয়ে উঠবেন বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এন্ড টেকনোলজি খুলনার রেজিস্ট্রার ড. মো. শাহ আলম বলেন, “ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে শিক্ষা, চিকিৎসা, বানিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক রয়েছে। এনইউবিটিকে ও টেকনো ইন্ডিয়া ইউনির্ভাটির মধ্যে গতবছর যে স্মারকলিপি স্বাক্ষরিত হয়েছে তার ফলে শিক্ষা ক্ষেত্রে বড় অবদান রাখার সুযোগ রয়েছে। আমাদের দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হতে পিএইচডির বাধ্যবাধকতা নেই। কিন্তু অদূর ভবিষ্যতে হয়তো সেটা করবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন। তাই সকল শিক্ষকের একাডেমিক অর্জন বৃদ্ধি করতে আমরাও শিক্ষকদের পিএইচডি করার ব্যাপারে গুরুত্ব প্রদান করছি।”

দুপুর তিনটায় শুরু হয় ‘ব্লু ইকোনমি” নিয়ে সেমিনার। সেমিনারে বক্তব্য প্রদান করেন টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির ডিরেক্টর অব রিসার্চ প্রফেসর ড. অভিজিৎ মিত্র।

বিকেল সাড়ে চারটায় নর্দার্ন ইউভার্সিটি অব বিজনেস এন্ড টেকনোলজি খুলনার একাডেমিক কার্যক্রম ও রিসার্চ সেক্টরে আরো গতি আনতে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে ‘সেন্টার অব এক্সিলেন্স’ উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন করেন প্রফেসর ড. গৌতম সেনগুপ্ত।

সর্বাধিক জনপ্রিয়

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- বিজ্ঞাপন -spot_img

সর্বশেষ