২৪শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১১ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৪শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১১ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
৬ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

বৃষ্টিতে বশেমুরবিপ্রবিতে বাড়ছে সাপের আনাগোনা, আতঙ্কিত শিক্ষার্থীরা

spot_img

আরাফাত আলম, বিশেষ প্রতিনিধি

বেশ কিছুদিন ধরে একের পর এক বড় বড় সাপ দেখা যাচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বশেমুরবিপ্রবি), গোপালগঞ্জ এর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে। বিশেষ করে ভিসি বাংলোর দিকে বনলতা সেন রোড, ক্যালিফোর্নিয়া রোডসহ গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে। যেখানে শত শত শিক্ষার্থী শতব্যাস্ততা মাথায় রেখে হাঁটাচলা করে। সেন্ট্রাল মসজিদ যেখানে শত শত শিক্ষার্থী নামাজ আদায় করতে হয়। গতকাল সকাল আনুমানিক দশটার সময় তিনজন শিক্ষার্থী গ্রুপস্টাডি করতে সেন্ট্রাল মসজিদে গেলে মসজিদের দক্ষিন দেয়ালের একটি জানালার ফাঁকে নজর পরতেই দেখে এক বিশাল আকারের সাপ। দেখে হঠাৎই চমকে উঠে সকলে। উপস্থিত একজন জানান- এটা আসলেই একটি ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। সবাই সাবধান হওয়া দরকার। কখন কার ক্ষতি হয়ে বসে বলা যায় না।

ঠিক একইদিনে সন্ধ্যাবেলা হলচত্ত্বর থেকে ভিসিবাংলোর দিকে হাটছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়েরই ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী আশিকুর রহমান। ভিসিবাংলো পার হয়ে লন্ডন ব্রীজের কাছে পৌছার আগেই দেখে পায়ে কিছু একটি কামড়। পা নাড়াতেই চোখে পরে লম্বা এক সাপ। পরবর্তীতে রাতেই তাকে ভর্তি করানো হয় শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। ডাক্তার দেখে বলেছেন স্বাস্থ্যের অবস্থা স্বাভাবিক আছে।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো এখানে এন্টিভেনম ছিলোনা, যদি বিষধর কোন সাপের কামড়ে এন্টিভেনম আবশ্যক হতো তবে ঢাকা কিংবা খুলনা যাওয়া ব্যাতিত কোন ভালো উপায় ছিলোনা।
আশিকুর রহমান জানান- সাপের মূল ছোবলটা হয়তো আমার জুতায় পড়েছে। সামান্য আংশ হয়তো আমার পায়ে লেগেছে। আল্লাহ হয়তো ছোট এই আঘাতের মাধ্যমে বড় কোন বিপদ থেকে উদ্ধার করেছেন।
আহতের বন্ধু সিফাত ইমতিয়াজ বলেন- চারদিকে ধানখেত গুলো খালি হয়ে গেছে। তাই চারদিকের বিশাল এরিয়ার ধানখেতে থাকা সাপগুলো ক্যাম্পাসের আঙিনায় এসে আশ্রয় নিয়েছে। আমার মনে হয় আমাদের সকলে আরো সচেতন হওয়া উচিত।
বিষয়টি নিয়ে নিরাপত্তা কর্মকর্তা তরিকুল ইসলামের সাথে কথা বললে তিনি জানান – এই বিষয়টি নিয়ে প্রক্টর সরকার নির্দেশ দিলে আমরা কিছু করতে পারি। তবে এটি মূলত এস্টেট দফতর এর কাজ।
পরবর্তীতে প্রক্টর ড. মোঃ কামরুজ্জামান স্যার এর কাছে বিষয়টি জানানো হলে স্যার বলেন- শিক্ষার্থীকে দংশন করেছে। আসলেই দুঃখজনক। আমি বিষয়টি নিয়ে এস্টেট দফতরকে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করার নির্দেশ দিবো।

সর্বাধিক জনপ্রিয়

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- বিজ্ঞাপন -spot_img

সর্বশেষ