
নাজিরুল ইসলাম, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
বগুড়ার শাজাহানপুরে বিক্রি হওয়া একটি চোরাই গরু উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। এঘটনায়
চোরাই গরুর বিক্রির টাকা ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে দ্বন্দে জনতার হাতে আটক হয়েছে লিটন মিয়া ও আব্দুল খালেক নামে দুই চোর। চোরদ্বয় হলো: শাজাহানপুর উপজেলার আমরুল ইউনিয়নের ফুলকোট গ্রামের চানমিয়ার ছেলে লিটন মিয়া অপরজন ধুনট উপজেলার বেড়ের বাড়ী গ্রামের আব্দুল খালেক।
রবিবার (২ জুন) আকটকৃত চোরদ্বয় চুরির দোষ স্বীকার করায় তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গত শুক্রবার দিবাগত রাত ১টায় আমরুলের শৈলধুকরী পশ্চিম পাড়ার মৃত সিদ্দিকের ছেলে সাইফুল ইসলামের বাড়ি থেকে গরুটি উদ্ধার করে থানা পুলিশ। বতর্মানে গরুটি অত্র এলাকার ওয়ার্ড সদস্য রফিকুল ইসলামের জিম্মায় রাখা হয়েছে। তবে এখনো গরুটির প্রকৃত মালিক খোঁজে পাওয়া যায়নি।
এদিকে শনিবার সন্ধ্যায় আমরুল ইউনিয়নের মোবার মার্কেটে ওই চোরেরা গরু বিক্রির টাকা ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেড়ে জনতার হাতে আটক হয়। পরে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেন।
এঘটনায় আমরুল ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড সদস্য রফিকুল ইসলাম জানান, গত শনিবার রাত ১টার সময় থানার এস আই সমর আমাকে ফোন করে ডেকে নেন। পরে তারা আমার ওয়ার্ডের মৃত সিদ্দিকের ছেলে সাইফুল ইসলামের বাড়িতে নিয়ে যান। তার বাড়ি থেকে ওই চোরাই গরুটি পুলিশ উদ্ধার করে। সাইফুল বাড়িতে না থাকায় তার স্ত্রী বলে গরুটি আমার স্বামী ২৫ হাজার দিয়ে কিনে নিয়েছে। তাদেরকে নগদ ১৫ হাজার টাকা দিয়ে ১০ হাজার টাকা বাকি রাখা হয়েছে জানান। পরে পুলিশ তার বাড়ি থেকে গরুটি বের করে আমার জিম্মায় দিয়ে যায়। তবে সাইফুল ইসলাম একটি ভালো ছেলে। তার জীবনে এরকম কোন ঘটনা ছিল না।
অপরদিকে চোরদের ভাষ্যমতে তিনি জানান; রাতের অন্ধকারে তারা কোন গ্রামের কার বাড়ি থেকে গরুটি চুরি করেছে তা নিশ্চিত করে বলতে পারেনি।
এঘটায় শাজাহানপুর থানার এস আই সমর জানান, উদ্ধার হওয়া গরুটি অত্র এলাকার ওয়ার্ড সদস্য রফিকুল ইসলামের জিম্মায় রাখা হয়েছে। আটককৃত চোরদ্বয় গরু চুরির ঘটনাটি স্বীকার করায় তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তবে উদ্ধার হওয়ার গরুর প্রকৃত মালিক খোঁজে বের করতে পুলিশি তদন্ত চলছে।




