ঘটনার প্রেক্ষাপট অনুযায়ী, ২০০৮ সালের নভেম্বরে নির্বাচন কমিশন জামায়াতে ইসলামীকে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন প্রদান করে। তবে ২০০৯ সালে এই নিবন্ধনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরীসহ ২৫ জন ব্যক্তি একটি রিট আবেদন করেন। সেই রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১৩ সালের ১ আগস্ট হাইকোর্টের একটি বৃহত্তর বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করেন।

হাইকোর্টের ওই রায়ের পর দীর্ঘ আইনি লড়াই শুরু হয়। ২০১৩ সালেই জামায়াত হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে। তবে ২০১৮ সালের ৭ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে দলটির নিবন্ধন আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করে। দীর্ঘ সময় পর ২০২৩ সালের ১৯ নভেম্বর আইনজীবীর অনুপস্থিতিতে জামায়াতের করা আপিলটি খারিজ হয়ে যায়। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ২২ অক্টোবর আপিল বিভাগ দলটির আবেদন মঞ্জুর করে মামলাটি পুনরায় সচল বা পুনরুজ্জীবিত করেন