
মহিউদ্দিন :
বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫-এর পরিচালনা ব্যয়ের বরাদ্দ থাকলেও দায়িত্বপ্রাপ্তদের বিল পরিশোধে তালবাহানার অভিযোগ উঠেছে। এতে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি জানান, পরীক্ষা চলাকালে পুলিশ ও মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্টসহ বিভিন্ন দায়িত্বপ্রাপ্তরা অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করলেও পরীক্ষা শেষে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের বিল প্রদান করা হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, বিল প্রদানে অযৌক্তিক বিলম্ব ও নানা অজুহাত দেখানো হচ্ছে।
একজন ভুক্তভোগী বলেন, “আগের বছরগুলোতে পরীক্ষা শেষের দিনই বা তার পরপর বিল পরিশোধ করা হতো। কিন্তু এবার ১০ দিনের বেশি সময় পার হলেও এখনো কোনো বিল পাইনি।
এ বিষয়ে শাজাহানপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার আব্দুল লতিফের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “অফিসে প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় বিল প্রস্তুত ও বিতরণে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। বিষয়টি দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারি আর্থিক বিধি অনুযায়ী অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের সম্মানী নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ করা বাধ্যতামূলক। অযথা বিলম্ব প্রশাসনিক জবাবদিহিতার পরিপন্থী এবং এটি দায়িত্ব পালনে অনীহা সৃষ্টি করতে পারে।
বগুড়া জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: রেজোয়ান হোসেন জানান, দায়িত্বপ্রাপ্তদের সম্মানী পরীক্ষা শেষেই দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কেন দেওয়া হয়নি বিষয়টি আমি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সাথে কথা বলে দেখছি।
ভুক্তভোগীরা দ্রুত বিল পরিশোধের দাবি জানিয়েছেন।




