দেশের মানুষ এখন পরিবর্তন চায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশবাসী লাঙল, ধানের শীষ ও নৌকার শাসন দেখেছে। কিন্তু দুর্নীতি থেকে মুক্তি পায়নি। এবার মানুষ দাঁড়িপাল্লার পক্ষে ভোট দেবে।
জামায়াত নেতা দাবি করেন, নভেম্বরেই গণভোট দিতে হবে এবং নির্বাচনের আগে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে। তার ভাষায়, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও নভেম্বরে গণভোটের মাধ্যমেই ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন দিতে হবে—এতে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরণ হবে।
গোলাম পরওয়ার বলেন, ডুমুরিয়া একসময় সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য ছিল। সংসদ সদস্য থাকার সময় আমি এ এলাকা সন্ত্রাসমুক্ত করেছি। আগামীতে জনগণ আমাকে সুযোগ দিলে ডুমুরিয়াকে মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলব।
সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা হিন্দু কমিটির সেক্রেটারি অধ্যক্ষ দেব প্রসাদ মণ্ডল। বক্তব্য দেন প্রমত গাইন, ডা. হরিদাস মণ্ডল, অধ্যক্ষ সুভাষ সরদার, অ্যাডভোকেট আপোষ সিংহ, কানাই লাল কর্মকারসহ স্থানীয় হিন্দু সংগঠনের নেতারা।
এর আগে সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে ঢোল-তবলা-কাসাসহ নানা বাদ্যযন্ত্র নিয়ে হাজারো সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্মেলনে যোগ দেন। নাচ-গান আর উচ্ছ্বাসে পুরো স্বাধীনতা চত্বর উৎসবে পরিণত হয়। নারী-পুরুষের উপস্থিতিতে সম্মেলনের মাঠে ছিল উপচে পড়া ভিড়।
সম্মেলন শেষে স্বাধীনতা চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়, এতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের হাজারো মানুষ অংশ নেন।