২৪শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৪শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
৬ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

একলাফে ১৫০ টাকা কাঁচা মরিচ!

spot_img

এক সপ্তাহ আগে বাজারে কাঁচা মরিচ ৮০ টাকায় বিক্রি হলেও শনিবার (১৮ মে) বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায়। সপ্তাহ ব্যবধানে বাজারে পণ্যটির দাম দ্বিগুন। পাশাপাশি বেড়েছে অনান্য সবজির দামও।

বছরের এই সময়ে দেশে কাঁচা মরিচের কিছুটা সংকট থাকে। তাতে আমদানি করে প্রয়োজন মেটাতে হয়। গত কোরবানির সময়ে ঢাকায় কাঁচা মরিচের কেজি ৭০০ টাকায় উঠেছিল। এ বছরও একই পথে হাঁটতে শুরু করছে। এবার দাম বাড়তে থাকলেও সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। তবে আগেই বেড়ে যাওয়া দামে বিক্রি হচ্ছে চাল, ডাল, আলু, পেঁয়াজসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যে।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ির সবজি বিক্রেতা মিলন বলেন, নতুন করে কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে। বছরের এই সময়ে কাঁচা মরিচের দাম প্রতিবছর বাড়ে বলে জানান তিনি।

বাজারে বেড়েই চলেছে ডিম, মুরগির দাম। আলু ও বেগুনের সঙ্গে অন্যান্য সবজির দাম এখনো চড়া। আলু প্রতি কেজির দাম পড়ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা। আর বেগুন প্রতি কেজি মানভেদে ৬০ থেকে ৯০ টাকা। পেঁপের কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকা। বরবটি, চিচিঙ্গা, ধুন্দল, ঝিঙের মতো সবজির দাম পড়ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা। সবজির মধ্যে প্রতি কেজি ৫০ টাকার আশপাশে আছে ঢ্যাঁড়স ও পটোল। একটি লাউয়ের দাম পড়ছে আকারভেদে ৬০ থেকে ৮০ টাকা। আর প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজের দাম পড়ছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকা। ভারত থেকে কিছু পেঁয়াজ এলেও বাজারে তার প্রভাব নেই।

অপরদিকে কিছুটা কমেছে সোনালি মুরগির দাম। প্রতি কেজি ৪০০ টাকা থেকে দাম কমে হয়েছে ৩৭০ থেকে ৩৮০ টাকা। ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজির দাম ২২০ থেকে ২৩০ টাকা। গরুর মাংসের প্রতি কেজি দাম পড়ছে ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা। খাসির মাংস ১ হাজার থেকে ১ হাজার ১০০ টাকা কেজি। বাজারে ডিমের দাম এখনো চড়া। বাদামি ডিমের ডজন ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা। আর সাদা ডিমের ডজন ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা।

লাউয়ের দাম পড়ছে আকারভেদে ৬০ থেকে ৮০ টাকা। আর প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজের দাম পড়ছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকা। ভারত থেকে কিছু পেঁয়াজ এলেও বাজারে তার প্রভাব নেই।

মাছের বাজার গত সপ্তাহের মতোই আছে। প্রতি কেজি তেলাপিয়া ও পাঙাশের দাম পড়ছে আকারভেদে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা। আর চাষের রুই মাছের কেজি পড়ছে প্রতি কেজি ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। হাওরের রুই মাছের দাম আরও বেশি। দেশি অন্যান্য মাছ সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে।

যাত্রাবাড়ির বিবির বাগিচার বাসিন্দা রাজিব মোল্লা বলেন, বাজারের এখন যে অবস্থা ছেলে মেয়েদের নিয়ে না খেয়ে থাকতে হবে। প্রতিদিনই বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম। তবে দেখার কেউ  নেই। ব্যবসায়ীরা ইচ্ছে মতো দাম হাকাচ্ছে।

সর্বাধিক জনপ্রিয়

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- বিজ্ঞাপন -spot_img

সর্বশেষ