
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
সারাদেশে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের হামলা, গণহত্যার প্রতিবাদে এবং চলমান ছাত্র আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে মিছিল করেছে জেলা জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম। শুক্রবার বেলা আড়াইটায় শহরের জামতলা মসজিদের সামনে থেকে মিছিল বের হয়। মিছিলটি মাদানিয়া মাদ্রাসার সামনে গেলে পুলিশের বাধার সম্মুখীন হয়। এসময় পুলিশের সঙ্গে জমিয়তের সমর্থকদের ধাক্কাধাক্কি হয়। পরে জমিয়তের কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি মাও. আব্দুল বছিরের হস্তক্ষেপে মিছিলের সবাই মাদ্রাসার ভেতর চলে যান।
পরে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা তৈবুর রহমান চৌধুরী বলেন, আমাদের কর্মসূচি ছিল আহত এবং নিহত ভাইদের জন্য দোয়া করা। যারা আহত আছেন তারা যাতে দ্রুত আরোগ্য হয়, চিকিৎসা লাভ হয় সেজন্যই আমাদের কর্মসূচি। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজন কুমার দাস অসৌজন্যমূলক আচরণ করলেন। এই সুনামগঞ্জে কোন বিশৃঙ্খলা নাই, কোন অশান্তি নাই। প্রশাসনের সাথে সম্পর্ক করে আন্দোলন কর্মসূচি পালন করি। কিন্তু তার আচরণে আমরা ক্ষুব্ধ হয়েছি।
এসময়ে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি মাওলানা মুশতাক আহমদ গাজীনগরী, যুগ্ম সম্পাদক মাওলানা রুকন উদ্দিন, অর্থ সম্পাদক মাওলানা তাফাজ্জুল হক, যুব বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা আরশাদ নোমান, সদস্য মাওলানা নাজমুল ইসলাম জাহিদ মাওলানা হাফিজ হাম্মাদ আহমদ, সুনামগঞ্জ পৌর জমিয়তের সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি তাফাজ্জুল হক, হোসাইন আহমদ, জেলা যুব জমিয়ত সভাপতি হাফিজ মাওলানা ত্বাহা হোসাইন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আসাআদ আহমদ, জেলা ছাত্র জমিয়তের সহ সাধারণ সম্পাদক ছাত্রনেতা রিয়াজ আহমদ, অর্থ সম্পাদক আতিকুর রহমান কামালী প্রমুখ।
জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি মাওলানা আব্দুল বছির বললেন, কোন কারণ ছাড়াই ধাক্কাধাক্কি করেছেন একজন অফিসার। আমরা অনুমতি নিয়ে প্রোগ্রাম করেছিলাম এরপরেও তিনি এটি করেছেন।
সদর থানার ওসি খালেদ চৌধুরী বলেন, সুনামগঞ্জের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রাখতে চাই আমরা। এজন্য যেটুকু করা প্রয়োজন, সেটুকুই পুলিশ করছে।




