২৫শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১০ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৫শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১০ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
১০ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

প্রিন্সিপালের পদত্যাগের দাবিতে ধামতী ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের টানা আন্দোলন

spot_img

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ধামতী ইসলামিয়া কামিল (মাস্টার্স) মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা প্রিন্সিপাল প্রিন্সিপাল শাহ মুহাম্মদ মহিউদ্দিন।প্রিন্সিপালের পদত্যাগের দাবিতে ধামতী ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের টানা আন্দোলন

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ধামতী ইসলামিয়া কামিল (মাস্টার্স) মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা প্রিন্সিপাল শাহ মুহাম্মদ মহিউদ্দিন এর পদত্যাগের দাবিতে টানা তিন দিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। প্রিন্সিপালের রুমসহ মাদ্রাসার সব ক্লাসরুম তালাবদ্ধ করে রেখেছে তারা। ক্লাস বর্জনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগানে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণ মুখরিত করে তুলেছে। তাদের অভিযোগ, প্রিন্সিপাল দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়ম, দুর্নীতি, এবং স্বেচ্ছাচারিতায় লিপ্ত।

শিক্ষার্থীরা দাবি করেছে, মাদ্রাসার উন্নয়নের জন্য সরকারি বরাদ্দকৃত অর্থের একটি বড় অংশ আত্মসাৎ করা হয়েছে। বিভিন্ন প্রকল্পের নামে ভুয়া বিল তৈরি করে অনৈতিকভাবে অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। এছাড়া, শিক্ষকদের সঙ্গে অশোভন আচরণ করা হয় এবং অনুমতি ছাড়াই তাদের বেতন কেটে রাখা হয়। শিক্ষার্থীরা আরও অভিযোগ করেছে, মাদ্রাসার বিভিন্ন পদে অবৈধভাবে নিয়োগ দিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায় করা হয়েছে। প্রিন্সিপাল পরীক্ষার ফি, মার্কশিট, এবং সার্টিফিকেট প্রদানেও অতিরিক্ত অর্থ আদায় করেছেন, যা শিক্ষার্থীদের ওপর আর্থিক চাপ সৃষ্টি করছে।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পক্ষে মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি, গভার্নিং বডির সদস্য, এলাকাবাসী এবং ধামতি দরবারের পীর সাহেবও সহমত প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, শিক্ষার্থীদের অভিযোগগুলোর সমাধান না হওয়া পর্যন্ত এ অস্থিরতা অব্যাহত থাকবে। শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে, যতক্ষণ না প্রিন্সিপাল ফায়সাল শিকদার পদত্যাগ করবেন, ততক্ষণ তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবে।

শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনের ফলে মাদ্রাসার শিক্ষা কার্যক্রম প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। পরিবেশ অস্থির হয়ে ওঠায় সকলের পক্ষ থেকে দ্রুত এ সমস্যার সমাধানের আহ্বান জানানো হয়েছে। মাদ্রাসার প্রশাসনকে অবিলম্বে কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে এবং শিক্ষার্থীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে বলা হয়েছে, যাতে শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে পারে। পদত্যাগের দাবিতে টানা তিন দিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। প্রিন্সিপালের রুমসহ মাদ্রাসার সব ক্লাসরুম তালাবদ্ধ করে রেখেছে তারা। ক্লাস বর্জনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগানে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণ মুখরিত করে তুলেছে। তাদের অভিযোগ, প্রিন্সিপাল দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়ম, দুর্নীতি, এবং স্বেচ্ছাচারিতায় লিপ্ত।

শিক্ষার্থীরা দাবি করেছে, মাদ্রাসার উন্নয়নের জন্য সরকারি বরাদ্দকৃত অর্থের একটি বড় অংশ আত্মসাৎ করা হয়েছে। বিভিন্ন প্রকল্পের নামে ভুয়া বিল তৈরি করে অনৈতিকভাবে অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। এছাড়া, শিক্ষকদের সঙ্গে অশোভন আচরণ করা হয় এবং অনুমতি ছাড়াই তাদের বেতন কেটে রাখা হয়। শিক্ষার্থীরা আরও অভিযোগ করেছে, মাদ্রাসার বিভিন্ন পদে অবৈধভাবে নিয়োগ দিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায় করা হয়েছে। প্রিন্সিপাল পরীক্ষার ফি, মার্কশিট, এবং সার্টিফিকেট প্রদানেও অতিরিক্ত অর্থ আদায় করেছেন, যা শিক্ষার্থীদের ওপর আর্থিক চাপ সৃষ্টি করছে।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পক্ষে মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি, গভার্নিং বডির সদস্য, এলাকাবাসী এবং ধামতি দরবারের পীর সাহেবও সহমত প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, শিক্ষার্থীদের অভিযোগগুলোর সমাধান না হওয়া পর্যন্ত এ অস্থিরতা অব্যাহত থাকবে। শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে, যতক্ষণ না প্রিন্সিপাল ফায়সাল শিকদার পদত্যাগ করবেন, ততক্ষণ তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবে।

শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনের ফলে মাদ্রাসার শিক্ষা কার্যক্রম প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। পরিবেশ অস্থির হয়ে ওঠায় সকলের পক্ষ থেকে দ্রুত এ সমস্যার সমাধানের আহ্বান জানানো হয়েছে। মাদ্রাসার প্রশাসনকে অবিলম্বে কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে এবং শিক্ষার্থীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে বলা হয়েছে, যাতে শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে পারে।

সর্বাধিক জনপ্রিয়

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- বিজ্ঞাপন -spot_img

সর্বশেষ