১২ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৮শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
১২ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৮শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৬শে মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

ডিজিটাল যুগে সনাতন পদ্ধতিতে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়: শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি!

spot_img

গোবিপ্রবি প্রতিনিধি: ডিজিটালাইজেশনের যুগেও সনাতন প্রক্রিয়ায় চলছে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম।

সনাতন পদ্ধতিতে ফর্ম পূরণ ও পরীক্ষা ফি গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে। অনলাইন প্রযুক্তির ব্যাপক প্রসার ঘটলেও বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা ফি জমা, ফর্ম পূরণ এবং হলের সাইন নেওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোতে কাগজ-কলম নির্ভরতা থেকে বের হতে পারেনি প্রশাসন। এতে করে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।

ভর্তি ও পরীক্ষা ফি জমা দিতে শিক্ষার্থীদের ব্যাংকে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হয়, যেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় শুধুমাত্র একটি রশিদের জন্য। এরপর শুরু হয় ফর্ম পূরণের প্রক্রিয়া, যা অনেক ক্ষেত্রেই হাতে লিখে করতে হয় এবং এতে ভুল হওয়ার সম্ভাবনাও বেশি থাকে।

বিশেষ করে হলের সাইন নেওয়ার প্রক্রিয়াটি শিক্ষার্থীদের জন্য এক দুঃস্বপ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিভিন্ন সময় হল প্রভোস্টদের অতিরিক্ত একাডেমিক দায়িত্বের কারণে পাওয়া যায় না, দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়—যা সময়সাপেক্ষ ও দুর্বিষহ।

শিক্ষার্থীরা বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারে আধুনিকায়ন করা যায়—এমন অনেক বিষয় থাকার পরও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কার্যকর পদক্ষেপ নেয় না। ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের চেয়ে সেকেলে পদ্ধতিই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বেশি পছন্দ। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে যেখানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় আধুনিকায়নের পথে হাঁটছে, সেখানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হওয়া সত্ত্বেও গোবিপ্রবি অনেকাংশে পিছিয়ে রয়েছে।

ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২১–২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. তাওহীদুল ইসলাম বলেন,

“বর্তমানে যেখানে প্রায় সবকিছুই ডিজিটালাইজড, সেখানে পরীক্ষা ফি জমা ও ফর্ম পূরণ প্রক্রিয়ায় এতটা ভোগান্তি অযৌক্তিক। দীর্ঘদিন ধরে আমরা এই ভোগান্তির শিকার। একটি অনলাইনভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম বা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে একটি স্টুডেন্ট পোর্টাল থাকলে আমরা সহজেই এসব কাজ সম্পন্ন করতে পারতাম। এ বিষয়ে খুব দ্রুত প্রশাসন দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেবে বলে আশা করি।”

 

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দীন শেখর জানান,“এ বিষয়ে আমরা অবগত। ইতোমধ্যে আমরা কয়েকটি ব্যাংকের সঙ্গে কথা বলেছি। আশা করছি, জুলাই মাসের মধ্যেই আমরা সব প্রক্রিয়াকে অনলাইনের আওতায় আনতে পারব।”

সর্বাধিক জনপ্রিয়

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- বিজ্ঞাপন -spot_img

সর্বশেষ