২৭শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১২ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৭শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১২ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
১৩ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

মৃত্যুর আগ মুহূর্তে পবিত্র কোরআন পড়ছিলেন খামেনি

spot_img

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা শহীদ আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শাহাদাতের প্রায় চার সপ্তাহ পর তার জীবনের শেষ মুহূর্তের একটি ছবি প্রকাশ করেছে তেহরান। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, মৃত্যুর আগ মুহূর্তে তিনি পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করছিলেন।

পরমাণু ইস্যুতে তেহরানের সঙ্গে পরোক্ষ আলোচনার মধ্যে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ভোরে ইরানে যৌথ সামরিক আগ্রাসন শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। ওইদিন তেহরানে বিমান হামলায় খামেনিসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা নিহত হন। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ এজেন্সি জানায়, হামলার সময় খামেনি তার কার্যালয়ে সরকারি কাজে ব্যস্ত ছিলেন।

প্রতিশোধ হিসেবে ইরান ইসরাইল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর ওপর পাল্টা হামলা শুরু করে। যা এখনও অব্যাহত রয়েছে। ইরান কোনো ধরনের যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা সম্পূর্ণভাবে নাকচ করে দিয়েছে। অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার বিজয়ের দাবি করেছেন এবং ইঙ্গিত দিয়েছেন যে অভিযানের লক্ষ্য প্রায় পূরণ হয়ে এসেছে।

এদিকে ইসরাইল লেবাননে তাদের সামরিক অভিযান আরও জোরদার করেছে। তারা ইরানের মিত্র হিজবুল্লাহকে লক্ষ্যবস্তু করছে এবং লেবাননের সরকারের সঙ্গে কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনাও নাকচ করে দিয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে আজ শুক্রবার (২৭ মার্চ) লেবাননভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল মায়াদিন জানিয়েছে, ইসলামি বিপ্লবের নেতা খামেনির জীবনের শেষ ছবি প্রকাশ করেছে তেহরান।

ছবিটি রাজধানীতে তার কার্যালয়ে মৃত্যুর ঠিক আগ মুহূর্তের। যা মূলত সিসিটিভিতে ধরা পড়ে। ছবিতে দেখা যায়, মাথায় কালো পাগড়ি ও গায়ে আলখাল্লা পরা খামেনি নিবিষ্ট মনে পবিত্র কোরআন তেলাওয়ান করছেন।

হামলার পর এক ইসরাইলি কর্মকর্তা দাবি করেন, যৌথ অভিযানে খামেনির মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে এবং তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২-এর প্রতিবেদন মতে, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে খামেনির লাশের ছবিও দেখানো হয়।

পরবর্তীতে স্যাটেলাইট চিত্রে তার বাসভবন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়ার বিষয়টি উঠে আসে। হামলায় খামেনির পরিবারের কয়েকজন সদস্যও নিহত হন।

খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের ক্ষমতা কাঠামোতে বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি হয়। তবে এক সপ্তাহ পরই সেই শূন্যতা পূরণ হয়ে যায়। খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হন। এখন ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে তিনিই নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

সর্বাধিক জনপ্রিয়

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- বিজ্ঞাপন -spot_img

সর্বশেষ