২৪শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১১ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৪শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১১ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
৬ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

থার্টি ফার্স্ট নাইট এবং নববর্ষ উদযাপন করা মুসলিম সংস্কৃতি নয়।

spot_img

★থার্টি ফার্স্ট নাইট এবং নববর্ষ উদযাপন করা মুসলিম সংস্কৃতি নয়।

থার্টি ফার্স্ট নাইট এবং হ্যাপি নিউ ইয়ার নববর্ষ উৎযাপন করা মুসলিমদের সংস্কৃতি নয়।এটা হচ্ছে বিজাতীয়-বিধর্মীয় ইহুদি-খ্রিস্টানদের সংস্কৃতি। বর্তমান সমাজে সংস্কৃতির নামে প্রচলিত কিছু রীতিনীতি ইসলামের মৌলিক চিন্তা বিরোধী। এই সময়ের অধিকাংশ মুসলিমরা কুরআন সুন্নাহ চর্চা করে ইসলামের রীতিনীতি অনুসরণ অনুকরণ করে জীবন পরিচালনা করে এমন মুসলিম নয়।এরা শুধু নামেই মুসলিম কাজে কর্মে ইহুদি-খ্রিস্টানদের মতই। তাদের মধ্যে প্রকাশ পাইনা কোন সুন্নত ইসলামের রীতিনীতি।তারা হচ্ছে বিজাতীয়-বিধর্মীয় কাফির মুশরিকদের সংস্কৃতির চর্চা করা মিশ্রিত মুসলিম। তারা বাদ দেয় না কাফের মুশরিকদের কোন সংস্কৃতি উৎসব। এর মধ্যে অন্যতম হলো “থার্টি ফার্স্ট নাইট ” যা ইসলামে নিষেধ। মুসলিমদের জন্য বিধর্মীদেরকে অনুসরণ করা সম্পূর্ণরূপে হারাম।
হাদিস শরীফে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন,যে ব্যাক্তি বিজাতির সাদৃশ্য অবলম্বন করবে সে সেই দলভুক্ত হবে।(আবু দাঊদ)
অন্য হাদিসে রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ)বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আমাদের ছাড়া বিজাতীয়দের অনুসরণ করে সে আমার উম্মত নয়। তোমরা ইহুদী ও নাসারার অনুকরণ করবে না।(তিরমিযী)
এবং আল্লাহ তাআলা কুরআনে বলেন: “হে মুমিনগণ, তোমরা ইসলামে পূর্ণরূপে প্রবেশ কর এবং শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করোনা।নিশ্চয় সে তোমাদের জন্য স্পষ্ট শত্রু।(সূরা বাকারা)
হাদিস এবং কোরআন দ্বারা প্রমাণিত যে, থার্টি ফার্স্ট নাইট বা নববর্ষ নামে বেহায়াপনা ইসলামী সংস্কৃতিতে নেই, মুসলিম জাতির জন্য ইসলামের রীতিনীতি ছাড়া অন্য কারো রীতিনীতি গ্রহন করা হারাম।
তাই আমাদের করণীয় বিজাতীয় কালচার অনুষ্ঠান থেকে দূরে থেকে নিজের ঈমান কে হেফাযত করা। আল্লাহ আমাদের কে ইসলামের সঠিক বুঝ দান করুক।(আমীন)

✍️ লেখক জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান
আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়
কায়রো, মিশর

সর্বাধিক জনপ্রিয়

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- বিজ্ঞাপন -spot_img

সর্বশেষ