খুব শিগগির অর্থায়নকারী সংস্থা খুঁজে পাওয়ার আশা করছি। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) কাজ করছে।” মো. আবু জাফর মিঞা, প্রকল্প পরিচালক
এদিকে অভিযোগ উঠেছে, এ রেললাইনের বগুড়ার শাজাহানপুর অংশে ভূমি অধিগ্রহণের নোটিস বিতরণের সময় জেলা প্রশাসনের কর্মচারীরা প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহণ করেছেন। গত ৫ নভেম্বরের ওই ঘটনায় ভূমি অধিগ্রহণ শাখার দুই কর্মচারীকে নিয়ে উপজেলাজুড়ে তীব্র আলোচনা শুরু হয়। তাদের ঘুষ নেওয়ার এই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে ভার্চুয়াল জগতে। নিয়ম অনুযায়ী নোটিস বিতরণ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে হলেও দুই কর্মচারী প্রত্যেক ভূমি মালিকের কাছ থেকে ২০০-৩০০ টাকা করে আদায় করেন। কেউ টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে নোটিস প্রদানে গড়িমসি ও দুর্ব্যবহার করেন তারা।
প্রকল্পের কর্মকর্তারা জানান, বগুড়া ও সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক তাদের নিজ নিজ এলএ (ভূমি অধিগ্রহণ) পরিকল্পনা অনুযায়ী ব্যয়ের চূড়ান্ত প্রাক্কলন দিয়েছেন। এতে আগের অনুমান থেকে ৩২৩ কোটি ১৬ লাখ টাকা বেশি লাগছে। ডিপিপিতে এই অতিরিক্ত ব্যয়ের সুযোগ না থাকায় বিশেষ সংশোধনের প্রস্তাব দেওয়া হলে মন্ত্রণালয় অনুমোদন করেছে। এই প্রকল্পের জন্য অর্থায়নকারী সংস্থাকে খোঁজা হচ্ছে। নতুন অর্থায়নকারী পাওয়ার পরে কাজ শেষ করতে আরও তিন-চার বছর লাগবে। অর্থ পাওয়া গেলে ঠিকাদার নিয়োগসহ দরপত্রের মাধ্যমে কাজ শুরু হবে। প্রকল্প পরিচালক মো. আবু জাফর মিঞা জানান, খুব শিগগিরই অর্থায়নকারী সংস্থা খুঁজে পাওয়ার আশা করছি। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) কাজ করছে।




