
বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার আমরুল ইউনিয়নের ক্ষুদ্র ফুলকোট গ্রামে টুলু মিয়া (৫০) নামে এক ব্যক্তির গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে নিজ ঘরের ভেতর থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টুলু মিয়ার স্ত্রী জীবিকার প্রয়োজনে প্রবাসে থাকেন। তাঁর দুই মেয়ে জেমি ও জুথি আক্তার। দুজনই বিবাহিত। টুলু মিয়া নিজ বাড়িতে একাই বসবাস করতেন। তবে গত কয়েক দিন ধরে পেটের ব্যথায় অসুস্থ থাকায় ছোট মেয়ে জুথি আক্তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন।
শনিবার সকালে ঘরের ভেতরে বাবার গলাকাটা মরদেহ দেখতে পান মেয়ে। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
টুলু মিয়ার ছোট মেয়ে জুথি আক্তারের দাবি, অসুস্থতার কারণে তাঁর বাবা নিজেই ধারালো বটি দিয়ে গলায় আঘাত করেছেন। তবে স্থানীয়দের মধ্যে এ ঘটনা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন ধারণা রয়েছে। কেউ কেউ অসুস্থতাজনিত কারণে আত্মহত্যার আশঙ্কা করছেন, আবার কারও ধারণা, এর পেছনে অন্য কোনো ঘটনা থাকতে পারে।
এটি আত্মহত্যা, নাকি হত্যাকাণ্ড—তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
শাজাহানপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশিক ইকবাল জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




