২৩শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১০ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৩শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১০ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
৫ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

সিরিজ বাঁচাতে ১৬৬ লক্ষ্য পেল বাংলাদেশ

spot_img

এসবি ক্রীড়া ডেস্ক : শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে জিতে সিরিজ বাঁচাতে ১৬৬ রানের লক্ষ্যমাত্রা পেয়েছে বাংলাদেশ। এদিন টানা দ্বিতীয় জয়ে সিরিজ নিজেদের করার লক্ষ্যে নেমে নির্ধারিত ওভারে পাঁচ উইকেটে ১৬৫ রান তুলতে পারে সফরকারীরা।

ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয়ে বুধবার (৬ মার্চ) বিকেলে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিকেলে এই ম্যাচেও টস জিতে শ্রীলঙ্কাকে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানান টাইগার অধিনায়ক নাজমুল হোসাইন শান্ত।

শরিফুল ইসলাম শুরুটা করেন মেডেন দিয়ে। এসেই উইকেট তুলে নেন তাসকিন আহমেদ। এরপর ধীরে ধীরে ম্যাচে ফিরল শ্রীলঙ্কাও। তবে বাংলাদেশ চাপ ধরে রাখলো নিয়মিত বিরতিতে উইকেট নিয়ে। যাতে শেষ পর্যন্ত খুব বড় রান করতে পারেনি লঙ্কানরা।

পাওয়ার প্লের শুরুটা দুর্দান্ত করে বাংলাদেশ। শরিফুলের মেডেনের পরের ওভারে ফায়দা তুলে নেন তাসকিন আহমেদ। তৃতীয় বলে একটি সিঙ্গেল নিয়ে আগের ছয় বলে কোনো রান করতে না পারা আভিস্কা ফার্নান্দোকে স্ট্রাইক দেন কুশল মেন্ডিস। প্রথম বলেই তুলে মেরে বোলার তাসকিনের হাতে ক্যাচ দিয়ে শূন্য রানে ফেরেন আভিস্কা।

উইকেটে এসে প্রথম বলেই চার হাঁকান কামিন্দু মেন্ডিস। শরিফুল নিজের দ্বিতীয় ওভারে এসেও তিন রান দেন। তবে তার পরের ওভারেই ১৭ রান হজম করেন তাসকিন। সবমিলিয়ে পাওয়ার প্লের ছয় ওভারে ৪৯ রান করে শ্রীলঙ্কা। তাদের ওই রানের গতি স্পিনার এনে ঠেকিয়ে দেন অধিনায়ক শান্ত।

হুট করে সৌম্য সরকারকে বোলিংয়ে এনে সফল হন অধিনায়ক। কুশল ও কামিন্দু মেন্ডিসের ৪২ বলে ৬৬ রানের জুটি ভাঙেন তিনি। দুই চার ও তিন ছক্কায় ২২ বলে ৩৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন কুশল মেন্ডিস। পরের ওভারেই কামিন্দু মেন্ডিস হন রান আউট। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক এই ব্যাটার কিছুটা দুর্ভাগাই বটে।

কাভারে থাকা মাহেদী হাসানের হাতে বল পাঠান কামিন্দু। রান নিতে চাননি তিনি। কিন্তু দৌড়ে ততক্ষণে অনেকদূর চলে এসেছেন নন স্ট্রাইক প্রান্তে থাকা সাদিরা সামারাবিক্রমা। এরপর দৌড় দিলেও পৌঁছাতে পারেননি কামিন্দু। মাহেদীর থ্রোতে স্টাম্প ভাঙেন রিশাদ। তিন চার ও ২ ছক্কায় ২৭ বলে ৩৭ রান করেন কামিন্দু।

সামারাবিক্রমাও বড় রান করতে পারেননি। ১১ বলে ৭ রান করে মোস্তাফিজুর রহমানের বলে তার হাতেই ক্যাচ দেন। এরপর রান দিলেও উইকেটও তুলে নেয় শ্রীলঙ্কা। ১৪ বলে ২৮ রান করা আশালাঙ্কাকে বোল্ড করেন মাহেদী হাসান।

শেষ জুটিতে ৩৭ বলে ৫৩ রানের জুটি গড়ে দলের সংগ্রহ ১৬৫ পর্যন্ত নিয়ে যান অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস ও দাসুন শানাকা। ম্যাথিউস অপরাজিত থাকেন ২১ বলে ৩২ রান করে। ১৮ বলে ২০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন শানাকা।

টাইগারদের হয়ে এদিন তাসকিন, মাহেদি, মুস্তাফিজ ও সৌম্য একটি করে উইকেট লাভ করেন।

সর্বাধিক জনপ্রিয়

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- বিজ্ঞাপন -spot_img

সর্বশেষ