১লা নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৬ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
১লা নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৬ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২০শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

ক্লাসে ছাত্রীকে চুমু খেয়ে চাকরি গেল শিক্ষকের

spot_img
ফরিদপুরের ভাঙ্গার সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে তার কোচিং সেন্টারে এক ছাত্রীর সঙ্গে অশালীন ও অশোভন আচরণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় প্রথমে সাময়িক ও তদন্তে সত্যতা পাওয়ার পর স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হয়।

ছাত্রীর সঙ্গে অশালীন ও অশোভন আচরণের অভিযোগ ওঠায় গত ১৯ অক্টোবর তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। পরে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে ঘটনার সত্যতা পাওয়ার পর গত ২৯ অক্টোবর ওই শিক্ষককে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করা হয়।

ওই শিক্ষককে চূড়ান্তভাবে বরখাস্তের দুই দিন পর আজ রোববার(১ নভেম্বর) দুপুরে শিক্ষক ও ছাত্রীর আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তেই তা ভাইরাল হয়ে যায়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওই শিক্ষক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার পাশাপাশি ভাঙ্গা পৌর শহরের কোর্টপাড়া এলাকায় একটি কোচিং সেন্টার পরিচালনা করেন। সেখানে ভাঙ্গা পাইলট স্কুলের ছাত্রছাত্রীর পাশাপাশি অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদেরকেও পড়ান। সেখানেই ভাঙ্গা পাইলট স্কুলের দশম শ্রেণির ওই ছাত্রীকেও(১৫) প্রাইভেট পড়াতেন তিনি। বেশ কিছুদিন আগে ঘটা এই ঘটনার ভিডিও প্রকাশ্যে আসার আগেই স্কুল কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়।

এ সংক্রান্ত ৫৪ সেকেন্ডের ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা গেছে, ওই শিক্ষক কালো রঙের প্যান্ট এবং সাদা রঙের একটি শার্ট পরিহিত রয়েছেন। অন্যদিকে ছাত্রীটি একটি বেগুনি রঙের থ্রি পিস পরে আছেন। কোচিং সেন্টারের ফাঁকা ওই কক্ষে হোয়াইট বোর্ডের কাছে ওই শিক্ষক তার ছাত্রীকে জাপটে ধরে মুখে চুমু খান।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভাঙ্গা সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ হায়দার হোসেন জানান, অভিযুক্ত খণ্ডকালীন শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটির রিপোর্টে সত্যতা প্রতীয়মান হওয়ায় তাকে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠায় আমরা আগেই তাকে প্রথমে সাময়িক ও তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পরে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করেছি।

অভিযুক্ত খণ্ডকালীন শিক্ষক নজরুল ইসলামের মোবাইল নম্বর বন্ধ থাকায় এ ব্যাপারে তার বক্তব্য জানা যায়নি।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রোববার ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান বলেন, ওই শিক্ষকের ঘটনাটি সত্য বলে প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।

তিনি বলেন, একজন শিক্ষক হয়ে এমন কার্যক্রম খুবই নিন্দনীয় কাজ। তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় তদন্ত সাপেক্ষেই ব্যবস্থা নিয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক আমাকে বিষয়টি জানিয়েছেন।

সর্বাধিক জনপ্রিয়

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- বিজ্ঞাপন -spot_img

সর্বশেষ