১৩ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৯শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
১৩ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৯শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৭শে মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

নন্দীগ্রামে দূর্বৃত্তদের দেওয়া আগাছানাশকে পুড়লো কৃষকের আধা পাকা ধান

spot_img

প্রতিনিধি (নন্দীগ্রাম) বগুড়া : বগুড়ার নন্দীগ্রামের পল্লীতে রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগাছানাশকে পুড়লো কৃষক আব্দুল কুদ্দুসের আধা পাকা ধান। স্বপ্ন দেখছিলেন সোনার ধান ঘরে তুলে ধান বিক্রির টাকা লাগাবেন সংসারের কাজে কিন্তু রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তদের দেওয়া কীটনাশকে তার প্রায় ৭০ হাজার টাকার ধানের সাথে পুড়ে গেছে তার স্বপ্ন ।

১৬ই নভেম্বর রবিবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার ১ নং বুড়ইল ইউনিয়নের গন্ধবপুর গ্রামের মৃত সবর উদ্দিন প্রামানিকের ছেলে আব্দুল কুদ্দুস ও রেজাউল করিমের নিজ নামে ক্রয় কৃত ৬৫ শতাংশ জমিতে আমন মৌসুমে ৪৯ জাতের ধান চাষ করেন। ধানের শীষ বের হয়ে দানা পুষ্ঠ হওয়ার আগেই গত বৃহস্পতিবার রাতের কোন এক সময়ে দুর্বৃত্তরা গোপনে তাদের জমিতে আগাছা নাশক প্রয়োগ করে। আগাছা নাশক প্রয়োগের দুইদিন পর গত শনিবার বিকেলে কৃষক আব্দুল কুদ্দুস জমিতে গিয়ে দেখেন তার জমির ধান পুড়ে সাদা হয়ে গেছে।

কান্না জড়িত কন্ঠে কৃষক আব্দুল কুদ্দুস জানান, আমি একজন গরিব চাষী, ৩০ বছর আগে আমাদের দুই ভাইয়ের নামে ক্রয় করা সামান্য জমিতে চাষাবাদ করে আমাদের সংসার চলে। কারো সাথে আমাদের শত্রুতা নেই। ভালো ফলনের আশায় এ বছর ৪৯ জাতের ধান চাষ করেছিলাম ধানও ভালো হয়েছিল। ধানের শীষ বের হয়ে দানা পুষ্ট হওয়ার আগেই রাতের আঁধারে কে বা কাহারা আমাদের জমিতে আগাছা মারার কীটনাশক ছিটিয়ে দেয়।

পরে শনিবার লোকমুখে জানতে পেরে জমিতে গিয়ে দেখি আমার সমস্ত জমির ধান পুড়ে চিটা হয়ে গেছে। এখন আমি পরিবারকে কি খাওয়াবো আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই। একই এলাকার কৃষক রয়েল প্রামানিক জানান, আব্দুল কুদ্দুস অত্যন্ত গরিব একজন চাষী। নিজের সামান্য জমিতে চাষ করা ধান দিয়ে তার সংসার চলে এবার তার ধান গুলোও নষ্ট করে দিল দুর্বৃত্তরা । উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জহুরুল ইসলাম এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের ধানক্ষেত পরিদর্শন করে নন্দীগ্রাম কৃষি অফিস থেকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষককে যথাসাধ্য সহযোগিতার চেষ্টা করা হবে।

সর্বাধিক জনপ্রিয়

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- বিজ্ঞাপন -spot_img

সর্বশেষ