
এবিষয়ে জেলার বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, কবি ও প্রাবন্ধিক বজলুল করিম বাহার বলেন, বগুড়াকে পেছানোর চেষ্টা করা হয়েছে। উত্তরাঞ্চলের অন্যতম জেলা বগুড়া। এ জেলা অনেক আগে শিক্ষার নগরীতে পরিণত হয়েছে। এরপরও এখানে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হয়নি। ২০০৫ সালে বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ের করার চেষ্টা করেছিল তৎকালীন বিএনপি সরকার। কিন্তু পরে তা আর বাস্তবায়ন হয়নি।
তিনি বলেন, কোন এক অজানা আঁধারে যেন বন্দি ছিলাম আমরা। তবে আশার কথা হলো, বগুড়ায় এবার পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন হবে। যা আমাদের অনেক কাঙ্ক্ষিত একটি অভাব,তা পূরণ হবে। সেই সঙ্গে জেলায় আরও চারটি (২টি বালক, ২টি বালিকা) উচ্চ বিদ্যালয় স্থাপন করা হবে।
ক্রীড়া ক্ষেত্রে বগুড়ার অবদান রয়েছে অনেক। জাতীয় ক্রিকেট দলে বগুড়ার অনেক খেলোয়াড় রয়েছে যারা বগুড়া সন্তান। এরমধ্যে মুশফিকুর রহিম, শফিউল ইসলাম সুহাস, তৌহিদ হৃদয়, তানজিদ তামিম অন্যতম। যারা নিয়মিত খেলছেন। কিন্তু বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় আন্তর্জাতিক মানের মাঠের মর্যাদা হারিয়েছে। আইসিসির তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। যা শুধু প্রতিহিংসার কারণে ঘটেছে।
বগুড়া স্পোর্টস রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তফা মোঘল বলেন, ক্রীড়ার উন্নয়নে বিগত সময়গুলোতে শুধু আশার বাণী শোনানো হয়েছে। কিন্তু বাস্তবায়ন হয়নি কিছুই। বরং এশিয়ার মধ্যে অন্যতম ক্রিকেট স্টেডিয়াম শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম। সেই স্টেডিয়ামকে বঞ্চিত করা হয়েছে, আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে একমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে। যে ক্রিকেট খেলার মাধ্যমে সারাবিশ্ব আজ বাংলাদেশকে চিনে, সেই খেলাধুলায় রাজনীতি নিয়ে এসে ধ্বংস করার চেষ্টা করা হয়েছে। অতিদ্রুত শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামকে আবার আন্তর্জাতিক ভেন্যুর মর্যাদা ফিরিয়ে দেয়া হোক। পাশাপাশি স্থানীয় ক্রিকেটের উন্নয়নে জন্য ক্রিকেট স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হোক।




