২৬শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৩ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৬শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৩ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
৮ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে শুধুমাত্র ছাত্র সংসদ কেন্দ্রিক রাজনীতি’ই থাকতে পারে: হাসনাত আবদুল্লাহ

spot_img

হাবিপ্রবি প্রতিনিধি:-
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আয়োজনে দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) “জুলাই বিপ্লবকে সমুন্নত রাখতে এবং রাষ্ট্র পুনর্গঠনে বিপ্লবী ছাত্রজনতার করণীয়” শীর্ষক ছাত্র সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ই নভেম্বর) বিকাল ৩ টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের নুর হোসেন হল মাঠে উক্ত ছাত্র সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

এতে উপস্থিত ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ও আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ, সমন্বয়ক ও জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম।

এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক আবু সাঈদ লিওন, তারিকুল ইসলাম, সহ-সমন্বয়ক মিশুয়ালী সুহাস ও রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধি আল মেহেরাজ শাহরিয়ার মিথুৃন প্রমুখ।

এসময় কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ও আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, আপনাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ শিক্ষার্থী নামে যেসব শিক্ষার্থী ছিলো,তারা ফুল টাইম রাজনীতিবীদ আর পার্ট টাইম শিক্ষার্থী। ২০২২ সালে আপনাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার সুযোগ হয়েছিলো ওই সময় আমার বন্ধু বলেছিলো এখনকার শিক্ষকরা পার্ট টাইম শিক্ষক এবং ফুল টাইম রাজনীতিবীদ।আপনাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে যতজন শিক্ষক আছেন, তাদের বেশির ভাগই ধানমন্ডির ৩২ নাম্বার থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত, তারা চেষ্টা করেন যাদের মাধ্যমে তারা নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন তাদেরকে খুশি করার। যার ফলে তাদেরকে খুশি করতে গিয়ে উনারা ভুলে যান যে উনি একজন শিক্ষক। আর এইসব কারণেই আপনাদের এই বিশ্ববিদ্যালয় আজও বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ১থেকে ১০ এর মধ্যে নেই।

হাসনাত আবদুল্লাহ সাধারণ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনাদের অনেক দায়িত্ব রয়েছে। আপনারা আপনাদের বাবার টাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে আসেন। জনগণের ট্যাক্সের টাকায় পড়ার করেন। কোনো রাজনৈতিক দলের কামলা খাটতে আসেন নাই। সুতরাং যারা গেস্টরুম, গণরুমের চর্চাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে আবার ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করবে তাদের আমরা প্রতিহত করবো। তাই ছাত্র সংসদ কেন্দ্রিক যে রাজনীতিই শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকতে পারে।

তিনি আরও বলেন, আমরা দেখেছি, ৫ই আগষ্টের পরে একটি জেনারেশন কনফ্লিক্ট হচ্ছে। এই জেনারেশন কনফ্লিক্টে দেখতে পাচ্ছি যারা অভিজ্ঞ, যাদের দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা রয়েছে তারা এই তরুণ প্রজন্মের যে কৃতিত্বকে অবজ্ঞার চোখে দেখছে ৷ যেমন গত পরশু দিন বিএনপির একজন প্রতিযশা রাজনীতিবীদ মির্জা আব্বাস উনাকে আমরা বলতে শুনেছি, যদি পিতার আগে সন্তান হাঁটে তাহলে নাকি দেশ ধ্বংস হয়ে যায়।

তিনি মির্জা আব্বাসকে উদ্দেশ্যে বলেন, পিতা যখন বৃদ্ধ হয়ে যায় তখন তরুণ সন্তানের কাঁধে হাত রেখে তার বাকী পথ চলতে হয়। সুতরাং,সন্তানকে কটাক্ষ না করে তার কাজ যেনো শক্তিশালী হয়,কাজ যেনো সুদৃঢ় হয় সেটার জন্য আপনারা পদক্ষেপ নেন এবং তাদেরকে যেনো আর কখনই কোনো ফ্যাসিস্টদের মোকাবেলা করতে না হয় সেটি করে দিয়ে যাওয়া আপনাদের নৈতিক দায়িত্ব।

সিনথিয়া রহমান সানু

সর্বাধিক জনপ্রিয়

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- বিজ্ঞাপন -spot_img

সর্বশেষ