
বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি (বিএমবি) বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী উৎস কুমার গায়নের বিরুদ্ধে ইসলামের মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.) কে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ এনে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল এবং মানববন্ধন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
আজ রোজ বোধবার বেলা ২ ঘটিকায় এই বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন সফল করার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা বশেমুরবিপ্রবি কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন রোডঘাট প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবনের সামনে মানববন্ধন করেছেন।
মানববন্ধনে পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের রায়হান হোসেন বলেন, “মুসলমানরা রাসুল (সা.) কটুক্তি মানতে পারে না। এ বিশ্ববিদ্যালয় সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে রাসুল(সাঃ) কটুক্তির ঘটনা ঘটতেছে আমরা মুসলিম রাষ্ট্রে এটা কখনও মেনে নেব না।আমরা সাবধান করে দিচ্ছি যারা পরবর্তীতে এ রকম পদক্ষেপ নিবে মুসলিমজাতি তাদের বিরুদ্ধে জেগে উঠবে এবং এ বিশ্বিবদ্যালয় থেকে উৎসকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করতে হবে।”
কম্পিউটার সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মুসাবি্বর হোসেন বলেন “সবাই অবগত আছেন যে একজন শিক্ষার্থী আমাদের প্রিয় নবী (সঃ) কে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ ভাষা ব্যবহার করেছেন। এটাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা ভাবলে ভুল করবেন নাস্তিক ব্লগার যার নাম মুখে নিতে আমার ঘৃণা হয় আসাদ নুর ৪ টার দিকে আমাদের গ্রুপে পোস্ট করে বলে উৎসের যদি কিছু হয় কেউ ছাড় পাবেনা। বশেমুরবিপ্রবির ঘটনা দেশের বাইরে থেকে সে এ কথা বলার সাহস পায় কেমনে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশে, দেশের বাইরে থেকে উস্কানি দেয়ার মাধ্যমে দেশে একটি উশৃংখল পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা করছে। আমরা প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন জানায় এই ধরনের বাইরের কোন এজেন্ডা বা সংস্থা আমাদের সম্প্রীতি এবং শৃঙ্খলা নষ্ট না করতে পারে এ ব্যাপারে সজাগ থাকবেন।”
এছাড়াও সাধারণ শিক্ষার্থীরা মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) কে নিয়ে কটুক্তিকারী উৎস কুমার গায়নকে স্থায়ী বহিষ্কার না করলে ক্লাস পরীক্ষা বর্জন করার হুঁশিয়ারি দেন।
উল্লেখ্য, গত ২৬ই মে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মেসেঞ্জারের একটি গ্রুপে উৎস গায়ন মুহাম্মদ (সা.) কে নিয়ে কটূক্তি সংযুক্ত একটি ম্যাসেজ সেন্ট করেন। যা সে পরক্ষণেই গ্রুপ থেকে সরিয়ে ফেলেন। এই ঘটনায় শিক্ষার্থীরা তাকে প্রক্টরের নিকট শোপার্দ করে এবং পরবর্তীতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পুলিশি হেফাজতে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।




