২৩শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১০ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৩শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১০ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
৫ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

যুদ্ধের ময়দানে ভারতের আত্মসমর্পণ? পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রীর বিস্ফোরক দাবি

spot_img

রাতের আঁধারে ভারতের আকস্মিক হামলার পর পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে নিজেদের শক্তিশালী প্রতিরক্ষামূলক অভিযান শুরু করেছে পাকিস্তান। এই অভিযানে ভারতের ৫টি যুদ্ধবিমান ও একটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। এছাড়া, এই অভিযানকালে একাধিক ভারতীয় সামরিক ঘাঁটিও ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

এদিকে, কাশ্মীরের বিভাজন সীমান্তে অবস্থিত সামরিক চৌকিতে ভারতীয় সেনারা আত্মসমর্পণের প্রতীক হিসেবে সাদা পতাকা উত্তোলন করেছে বলে দাবি করেছে পাকিস্তান। একে ভারতীয় আক্রমণের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীর সফল প্রতিরোধ হিসেবে দেখা হচ্ছে। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে খবরটি উঠে এসেছে।

জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতীয় সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলওসি)–সংলগ্ন চুরা কমপ্লেক্সে সাদা পতাকা উত্তোলন করেছে। এ বিষয়ে পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার বলেন, ভারত সাদা পতাকা তুলে তাদের পরাজয় মেনে নিয়েছে।

 

 

তথ্যমন্ত্রীর দাবি, পাকিস্তানের প্রতিরোধের পর নিয়ন্ত্রণ রেখায় সাদা পতাকা উত্তোলন করে ভারত। একে তিনি যুদ্ধক্ষেত্রে ভারতের আত্মসমর্পণের একটি সুস্পষ্ট ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। ৭ মে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন। তার মতে, সীমান্ত এলাকায় সাদা পতাকার প্রদর্শন আত্মসমর্পণেরই বার্তা।

 

 

পাকিস্তানের সেনাবাহিনী প্রতিপক্ষের বেশ কিছু ঘাঁটিতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি ঘটিয়েছে বলেও জানান তিনি। আতাউল্লাহ তারার জানান, ভারতের কয়েকটি সংবাদমাধ্যমেও পাকিস্তানের গুলিতে বিধ্বস্ত ভারতীয় বিমানের ধ্বংসাবশেষের ছবি প্রচারিত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, নিয়ন্ত্রণরেখার আশেপাশে অবস্থিত ভারতীয় সেনার একাধিক পোস্টে সাদা পতাকা উড়তে দেখা গেছে, যা আত্মসমর্পণের লক্ষণ হিসেবেই ধরা যায়।

তিনি বলেন, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রতিরক্ষামূলক হামলা ও সারারাত ধরে চলা অভিযানের কারণেই ভারত পিছু হটছে। তথ্যমন্ত্রী এটাও জোর দিয়ে বলেন, ভারতীয় বাহিনী সাধারণ মানুষের উপর হামলা চালিয়েছে, যেখানে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কেবলমাত্র সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করেই হামলা চালিয়েছে ও তা সফলভাবে ধ্বংসও করেছে।

এদিকে, জিও নিউজের সাথে কথা বলতে গিয়ে পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, ভারতীয় বাহিনীর আক্রমণের তীব্র ও নির্ভুল জবাব দেওয়ার সময় পাকিস্তান তাদের প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপে শীর্ষস্থান অর্জন করেছেন।

তিনি আরও বলেন, পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডের অখণ্ডতা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তার ভাষ্যমতে, ভারত জবাদিহিতা এড়িয়ে গেছে ও প্রতিশোধ নেওয়ার যে প্রচেষ্টা তারা চালিয়েছিল, তা ব্যর্থ হয়ে যাওয়ার পর পিছু হটেছে। ভারতের আক্রমণে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তার বিস্তারিত তথ্য শিগগিরই প্রকাশ করা হবে বলে জানান তিনি।

এদিকে, ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধ ঘিরে সাউথ এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সর্বাধিক জনপ্রিয়

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- বিজ্ঞাপন -spot_img

সর্বশেষ