২২শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২২শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
৪ঠা জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

১০ জানুয়ারি পর্যন্ত শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত, জানালো আবহাওয়া অধিদপ্তর

spot_img

পৌষ মাসের শেষের দিকে এসে দেশজুড়ে জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। মঙ্গলবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এর আগে গত ৩১ ডিসেম্বর গোপালগঞ্জে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ১০টি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা আগামী ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।
রাজশাহীতে কুয়াশা তুলনামূলক কম থাকলেও হিমেল হাওয়ার কারণে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। এতে জনজীবন অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষ। ঠান্ডাজনিত রোগে রাজশাহীর বিভিন্ন হাসপাতালে নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া ও শ্বাসতন্ত্রের রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।
চুয়াডাঙ্গায় টানা শৈত্যপ্রবাহে জনজীবন চরম দুর্ভোগে পড়েছে। কুয়াশাচ্ছন্ন পরিবেশ ও কনকনে ঠান্ডার মধ্যেই মানুষ কাজের তাগিদে সকালবেলা বাইরে বের হচ্ছে।
আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানান, আগামী রবিবার থেকে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে। তবে শৈত্যপ্রবাহ পুরোপুরি শেষ হবে না এবং জানুয়ারি মাসজুড়েই শীতের তীব্রতা বজায় থাকতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, দিনাজপুর, নীলফামারী, পঞ্চগড়, রাঙ্গামাটি, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলায় বর্তমানে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। মঙ্গলবার চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, পাবনায় ৮.৫, যশোরে ৯.২ ও পঞ্চগড়ে ৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
অন্যদিকে, দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে কক্সবাজারের টেকনাফে—২৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ৮ জানুয়ারি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় দেশের ইতিহাসে সর্বনিম্ন ২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি জানুয়ারি মাসে অন্তত পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে, যার মধ্যে একটি তীব্র হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সর্বাধিক জনপ্রিয়

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- বিজ্ঞাপন -spot_img

সর্বশেষ