২৩শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১০ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৩শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১০ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
৫ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

বেরোবিতে সনাতনী, বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদেরকে নিয়ে “সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি সভা” অনুষ্ঠিত

spot_img

বেরোবি প্রতিনিধি

সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতিকে সামনে রেখে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট এবং ইয়ুথ এন্ডিং হাঙ্গার এর আয়োজনে ইয়ুথ লিডারশীপ ট্রেনিং প্রাপ্ত ১২৩৫ ব্যাচ এর প্রত্যয়ী টিমের একদল তরুণ-তরুণীর উদ্যোগে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর এর সনাতনী শিক্ষার্থী এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নেত্যত্ববৃন্দের সাথে সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি সভা” অনুষ্ঠিত হয় ।
২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৪ (শুক্রবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের গ্যালারি রুমে অনুষ্ঠিত হয় ।

উক্ত উদ্যোগের একমাত্র উদ্দেশ্য সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি সম্পর্কে তরুণ-তরুণীসহ সমাজের সকলকে সচেতন করা । তাছাড়াও,বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় এর ক্যাম্পাস এবং রংপুর এর সামাজিক এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি ব্যাহত হয় এমন যেকোন কর্মকান্ডকে প্রতিহত করতে আমরা কি করতে পারি তথা পূজা উদযাপন, ধর্মীয় বা যেকোন প্রোগ্রামে কোন প্রকার সম্প্রীতি নষ্ট হয় এমন কিছু হওয়ার কোন সম্ভবনা আছে কিনা বা যদি থেকে থাকে তাহলে আমরা কিভাবে প্রতিহত করতে পারি উক্ত বিষয়ে একটি সমষ্টিগত আলোচনা করা। উক্ত আলোচনা সভায় তাদের দিক থেকে সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য আমাদের কাছে বিভিন্ন প্রস্তাবনা দিক উঠে এসেছে ।

আলোচনা সভায়, সনাতনী শিক্ষার্থী বলেন, “আজকের শিশুরা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ । তাই আমাদের মাঝে যে ধর্মীয় মূল্যবোধ আছে তা আগামী প্রজন্মকে শেখানো । এর পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, যারা দুষ্কৃতিকারী তারা সকল ধর্মের উপর আঘাত হানে । তাই দুষ্কৃতিকারীদের চিহ্নিত করে তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা ।”

শয়ন কুমার সাহা বলেন, “যারা ধর্মকে ব্যবহার করে দাঙ্গা হাঙ্গামা সৃষ্টি করে তাদের চিহ্নিত করা এবং আইনের আওতায় আনা । সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে একে অপরের ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা করা এবং ধর্মীয় উৎসব উদযাপনে একে অপরকে সাহায্য করা ।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী খোকন ইসলাম বলেন, যেকোন দাঙ্গা সৃষ্টি হয় জ্ঞানের স্বল্পতার কারনে । তাই আমাদের ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি আমাদের নৈতিক শিক্ষা গ্রহণ করা । আর কোন ধরনের গুজবে কান না দেওয়া ।” । আর কোন ধরনের গুজবে কান না দেওয়া ।”
উক্ত আলোচনা সভার মাধ্যমে সকলে মিলে একটি ঐক্য বা টিম গঠন করারোও প্রস্তাব এসেছে যেখানে সকল ধর্মের ছাত্ররা নেতৃত্ব দিবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোন এধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিহত করতে সঙ্গবদ্ধভাবে কাজ করে যাবে। তাই আমরা উক্ত আলোচনা ভিত্তিতে সামনে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছি । সর্বশেষে আশা করি এই তরুণ-তরুণীরা সম্প্রীতি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে অগ্রনী ভূমিকা পালন

সর্বাধিক জনপ্রিয়

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- বিজ্ঞাপন -spot_img

সর্বশেষ